চট্টগ্রামে AI ট্রাফিক সিস্টেম আসছে, যানজট কমবে ৩ গুণ
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন যানজট নিরসনে এআই-ভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এই লক্ষ্যে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করা হয়েছে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন প্রকল্পের কথা জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন যানজট নিরসনে এআই-ভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এই লক্ষ্যে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করা হয়েছে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন প্রকল্পের কথা জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম মহানগরীর দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। তারা এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ভিত্তিক স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম চালুর পরিকল্পনা করেছে। এই লক্ষ্যে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি সোমবার (১৫ জুন) চসিকের সম্মেলনকক্ষে এক অনুষ্ঠানে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরীর সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং নগর ব্যবস্থাপনাকে প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলা সম্ভব হবে। বর্তমানে চট্টগ্রামে যানজট একটি ভয়াবহ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ ও যানবাহন এই যানজটের কারণে সময় ও অর্থ হারাচ্ছে। এআই-ভিত্তিক সিস্টেম এই পরিস্থিতি আমূল পরিবর্তন করতে পারে।
স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম কীভাবে কাজ করবে তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে সাধারণত এ ধরনের সিস্টেমে রাস্তায় লাগানো ক্যামেরা ও সেন্সর যানবাহনের সংখ্যা ও গতি বিশ্লেষণ করে। এই ডেটা এআই অ্যালগরিদম প্রক্রিয়াজাত করে ট্রাফিক সিগন্যালের সময় নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে যেখানে যানজট বেশি, সেখানে সবুজ সিগন্যাল বেশি সময় ধরে থাকে। অন্যদিকে কম যানবাহনের রাস্তায় সিগন্যাল দ্রুত পরিবর্তন হয়।
চট্টগ্রামের মতো ব্যস্ত নগরীতে এই প্রযুক্তি আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। বিদ্যমান ট্রাফিক ব্যবস্থায় সিগন্যালের সময় নির্ধারিত থাকে। ফলে অপ্রয়োজনীয় অপেক্ষা ও যানজট সৃষ্টি হয়। এআই সিস্টেম রিয়েল-টাইম ডেটার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়। এটি যানজট ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য এই উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। দেশের অন্যান্য বড় শহর যেমন ঢাকা ও রাজশাহীতেও স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম চালুর চেষ্টা চলছে। রাজশাহী ইতিমধ্যে একটি আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থা চালু করেছে। চট্টগ্রামের এই উদ্যোগ সেই ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। সাধারণ নাগরিকদের জন্য এর অর্থ হলো কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো এবং কম জ্বালানি খরচ করা।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কত সময় লাগবে এবং কত টাকা ব্যয় হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ডিপিপি প্রস্তুত করার পর তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। অনুমোদন পেলে দ্রুত কাজ শুরু হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এই প্রকল্প চট্টগ্রামকে একটি স্মার্ট সিটিতে রূপান্তরের পথে বড় ভূমিকা রাখবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Sarabangla Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...