ChatGPT ও Claude শেয়ার করা চ্যাটে ম্যালওয়্যার, বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা সাবধান
হ্যাকাররা ChatGPT ও Claude-এর চ্যাট শেয়ারিং ফিচার ব্যবহার করে ম্যালওয়্যার ছড়াচ্ছে। শেয়ার করা চ্যাটগুলো ত্রুটির বার্তা বা ইনস্টল গাইডের মতো দেখায় এবং বিশ্বস্ত ডোমেইনে হোস্ট থাকায় সিকিউরিটি টুলস বাইপাস করে।
হ্যাকাররা ChatGPT ও Claude-এর চ্যাট শেয়ারিং ফিচার ব্যবহার করে ম্যালওয়্যার ছড়াচ্ছে। শেয়ার করা চ্যাটগুলো ত্রুটির বার্তা বা ইনস্টল গাইডের মতো দেখায় এবং বিশ্বস্ত ডোমেইনে হোস্ট থাকায় সিকিউরিটি টুলস বাইপাস করে।
হ্যাকাররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট ChatGPT এবং Claude-এর চ্যাট শেয়ারিং সুবিধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা শেয়ার করা চ্যাটের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার ছড়াচ্ছে। The Decoder জানিয়েছে, এই চ্যাটগুলো দেখতে ত্রুটির বার্তা বা সফটওয়্যার ইনস্টল করার নির্দেশিকার মতো।
এই কৌশলটি সনাক্ত করা কঠিন কারণ চ্যাটগুলো বিশ্বস্ত ডোমেইনে হোস্ট করা থাকে। সিকিউরিটি টুলস সাধারণত বিশ্বস্ত ডোমেইন থেকে আসা কন্টেন্টকে ব্লক করে না। ফলে ম্যালওয়্যার সহজেই সুরক্ষা বলয় ভেদ করে ব্যবহারকারীর ডিভাইসে পৌঁছে যায়।
হ্যাকাররা কীভাবে এই আক্রমণ চালায় তা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারা ChatGPT বা Claude-তে একটি মিথ্যা চ্যাট তৈরি করে। সেই চ্যাটে তারা একটি ত্রুটির বার্তা বা নির্দিষ্ট সফটওয়্যার ইনস্টল করার নির্দেশনা লেখে। এরপর শেয়ার লিংক তৈরি করে সেটি বিভিন্ন ফোরাম, সোশ্যাল মিডিয়া বা ইমেইলে ছড়িয়ে দেয়।
ব্যবহারকারী যখন লিংকে ক্লিক করে, তখন তাকে একটি বিশ্বস্ত ডোমেইনের (যেমন chatgpt.com বা claude.ai) পেজে নিয়ে যাওয়া হয়। পেজটি দেখতে সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য মনে হয়। কিন্তু সেখানে থাকা নির্দেশনা অনুসরণ করলেই ব্যবহারকারীর ডিভাইসে ম্যালওয়্যার ডাউনলোড হয়ে যায়।
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার, ডেভেলপার ও সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এই খবর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দেশে ChatGPT এবং Claude-এর ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। অনেকেই প্রযুক্তি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য এই চ্যাটবটের শেয়ার করা চ্যাট ব্যবহার করেন। হ্যাকাররা এই আস্থার সুযোগ নিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, কেউ যদি শেয়ার করা চ্যাট লিংক পাঠায় এবং তাতে কোনো সফটওয়্যার ডাউনলোড বা ইনস্টল করার নির্দেশনা থাকে, তাহলে তা যাচাই না করে অনুসরণ না করাই ভালো। অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি সফটওয়্যার ডাউনলোড করা নিরাপদ।
এই ধরনের আক্রমণ থেকে বাঁচতে ব্যবহারকারীদের সচেতনতা সবচেয়ে বড় অস্ত্র। অপরিচিত লিংকে ক্লিক করার আগে দুবার ভাবা উচিত। বিশ্বস্ত ডোমেইন থেকেও যদি কোনো সন্দেহজনক নির্দেশনা আসে, তবে তা সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল সাইটে গিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।
ভবিষ্যতে AI চ্যাটবটের শেয়ারিং ফিচার আরও জনপ্রিয় হবে। ফলে এই ধরণের হামলার সংখ্যা বাড়তে পারে। ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকা এবং সাইবার নিরাপত্তার মৌলিক নিয়ম মেনে চলাই একমাত্র প্রতিরোধ।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: The Decoder
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...