বয়স্কদের একাকিত্ব কমাবে ফেসবুক ও ভিডিও কল, বলছে গবেষণা
গবেষণায় দেখা গেছে, ফেসবুক ও ভিডিও কল বয়স্কদের সামাজিক বিচ্ছিন্নতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্মার্ট মনিটরিং ও ব্যক্তিগতকৃত সহায়তার মাধ্যমে বয়স্ক-বান্ধব সম্প্রদায় গঠনে সহায়তা করছে। প্রযুক্তি গ্রহণের জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য ডিজাইন ও ডিজিটাল সাক্ষরতা কর্মসূচি অপরিহার্য।
গবেষণায় দেখা গেছে, ফেসবুক ও ভিডিও কল বয়স্কদের সামাজিক বিচ্ছিন্নতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্মার্ট মনিটরিং ও ব্যক্তিগতকৃত সহায়তার মাধ্যমে বয়স্ক-বান্ধব সম্প্রদায় গঠনে সহায়তা করছে। প্রযুক্তি গ্রহণের জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য ডিজাইন ও ডিজিটাল সাক্ষরতা কর্মসূচি অপরিহার্য।
বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ সম্প্রদায় গঠনে ফেসবুক, ভিডিও কল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো প্রযুক্তি দিন দিন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সম্প্রতি ফিজ ডট অর্গ-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটি বলছে, এই প্রযুক্তিগুলো বয়স্কদের সামাজিক বিচ্ছিন্নতা কমাতে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যম এবং নিয়মিত ভিডিও কল বয়স্ক ব্যক্তিদের পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সংযুক্ত রাখতে সাহায্য করে। এটি তাদের একাকীত্ব ও মানসিক চাপ কমায়। অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI স্মার্ট হোম মনিটরিং, স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এবং ব্যক্তিগতকৃত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে বয়স্কদের নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে বসবাস করতে সহায়তা করছে।
তবে গবেষণাটি আরও উল্লেখ করেছে যে, প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে বয়স্কদের জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য ডিজাইন এবং ডিজিটাল সাক্ষরতা কর্মসূচি অত্যন্ত জরুরি। সহজ ও ব্যবহারবান্ধব ইন্টারফেস তৈরি না হলে এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা না থাকলে প্রযুক্তির সুবিধা বয়স্কদের কাছে পৌঁছানো কঠিন হবে। গবেষকরা বলছেন, প্রযুক্তি উন্নয়নের সময় বয়স্ক ব্যবহারকারীদের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও এই বিষয়টি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। দেশে বয়স্ক জনসংখ্যার হার বাড়ছে। শহরাঞ্চলে অনেক পরিবারে বয়স্ক সদস্যরা একা থাকেন। ফেসবুক ও ভিডিও কল তাদের জন্য পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সহজ মাধ্যম হতে পারে। পাশাপাশি AI ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা ও স্মার্ট মনিটরিং সিস্টেম বয়স্কদের জরুরি অবস্থায় দ্রুত সহায়তা পেতে সাহায্য করতে পারে। বাংলাদেশের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও নীতিনির্ধারকদের এই বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।
গবেষণাটি পরামর্শ দিয়েছে, বয়স্ক-বান্ধব প্রযুক্তি তৈরিতে কমিউনিটি সেন্টার, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং স্থানীয় সরকারের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। ডিজিটাল সাক্ষরতা কর্মসূচির মাধ্যমে বয়স্কদের প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে তুলতে হবে। ভবিষ্যতে আরও উন্নত AI সিস্টেম বয়স্কদের দৈনন্দিন জীবনে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews AI Global
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...