ব্রিটিশ বিনিয়োগে বাংলাদেশে আসছে ২ বিলিয়ন ডলারের AI ডেটা সেন্টার
বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখন বাংলাদেশে AI ডেটা সেন্টার স্থাপনে আগ্রহ দেখাচ্ছে। একটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান 2 বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প প্রস্তাব করেছে। এই বিনিয়োগ দেশটির ডিজিটাল অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখন বাংলাদেশে AI ডেটা সেন্টার স্থাপনে আগ্রহ দেখাচ্ছে। একটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান 2 বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প প্রস্তাব করেছে। এই বিনিয়োগ দেশটির ডিজিটাল অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখন বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI ডেটা সেন্টার স্থাপনে গভীর আগ্রহ দেখাচ্ছে। একটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান দেশটিতে 2 বিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল প্রকল্প প্রস্তাব করেছে। জাগোনিউজ২৪ ডটকমের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের AI অবকাঠামো ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে AI প্রযুক্তির চাহিদা বাড়ছে। ডেটা সেন্টার হলো AI মডেল প্রশিক্ষণ ও পরিচালনার মেরুদণ্ড। বাংলাদেশে এমন অবকাঠামো তৈরি হলে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থাগুলো উন্নত AI সেবা ব্যবহার করতে পারবে।
প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় AI ডেটা সেন্টার হাব হয়ে উঠতে পারে। বর্তমানে ভারতে প্রচুর ডেটা সেন্টার থাকলেও বাংলাদেশে এর সংখ্যা খুবই কম। এই প্রকল্পটি দেশটির প্রযুক্তি খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগের একটি মাইলফলক হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এতে স্থানীয় স্টার্টআপ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো উপকৃত হবে।
বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি দ্রুত বাড়ছে। ইতোমধ্যে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির আওতায় অনেক সেবা অনলাইনে নিয়ে এসেছে। কিন্তু AI ডেটা সেন্টারের অভাবে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদেশি সার্ভারে নির্ভর করতে হয়। এই প্রকল্প চালু হলে সেই নির্ভরতা কমবে। একই সঙ্গে ইন্টারনেটের গতি ও ডেটা নিরাপত্তাও বাড়বে।
যুক্তরাজ্যের এই প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডেটা সেন্টার স্থাপন করেছে। তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ডেটা সেন্টার তৈরি করা সম্ভব। এই ডেটা সেন্টারে GPU সার্ভার থাকবে, যা AI মডেল প্রশিক্ষণের জন্য অপরিহার্য। GPU হলো বিশেষ ধরনের প্রসেসর যা জটিল গণনা খুব দ্রুত করতে পারে।
বাংলাদেশের ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার ও শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বিশাল সুযোগ। তারা এখন নিজ দেশে থেকেই আন্তর্জাতিক মানের AI প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারবে। অনেক তরুণ প্রোগ্রামার এখন বিদেশে উচ্চ বেতনে কাজ করেন। এই প্রকল্প তাদের দেশে থেকে কাজ করার সুযোগ তৈরি করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও তাদের গবেষণায় এই ডেটা সেন্টার ব্যবহার করতে পারবে।
তবে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারকে বিনিয়োগকারীদের জন্য সহজ নীতি ও কর সুবিধা দিতে হতে পারে। তবুও সম্ভাবনা অনেক বেশি। বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী প্রযুক্তিতে অত্যন্ত আগ্রহী।
এই বিনিয়োগ প্রস্তাব দেশটির প্রযুক্তি খাতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। সরকারের দ্রুত অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্ভব। তখন বাংলাদেশ শুধু AI ব্যবহারকারী নয়, AI প্রযুক্তির উৎপাদক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews BD-AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...