bKash-এ AI জালিয়াতি প্রতিরোধ: মাসে ১,২০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের নেপথ্য কাহিনী
bKash-এর AI-চালিত জালিয়াতি শনাক্তকরণ সিস্টেম প্রতি মাসে ১,২০০ কোটি টাকার জালিয়াতি প্রতিরোধ করছে। মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ৯৮% নির্ভুলতায় সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করে গ্রাহকদের অর্থ সুরক্ষিত রাখছে প্রতিষ্ঠানটি।
bKash-এর AI-চালিত জালিয়াতি শনাক্তকরণ সিস্টেম প্রতি মাসে ১,২০০ কোটি টাকার জালিয়াতি প্রতিরোধ করছে। মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ৯৮% নির্ভুলতায় সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করে গ্রাহকদের অর্থ সুরক্ষিত রাখছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান bKash জানিয়েছে, তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ভিত্তিক জালিয়াতি শনাক্তকরণ সিস্টেমের মাধ্যমে প্রতি মাসে গড়ে ১,২০০ কোটি টাকার জালিয়াতি প্রতিরোধ করছে। এই তথ্য প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক সম্প্রতি এক সেমিনারে জানান, AI সিস্টেমটি প্রতিটি লেনদেনের প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে সন্দেহজনক কার্যকলাপ চিহ্নিত করে, যা হাজার হাজার ব্যবহারকারীর অর্থ সুরক্ষিত রাখছে।
bKash-এর এই AI সিস্টেমটি মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে, যা ক্রমাগত নতুন জালিয়াতির কৌশল শিখে এবং নিজেকে আপডেট করে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এই সিস্টেমটি ৯৮% এর বেশি নির্ভুলতার সাথে জালিয়াতি শনাক্ত করেছে। ফলে গ্রাহকদের আস্থা বেড়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি ডিজিটাল লেনদেনের নিরাপত্তায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে, যা এই ধরনের প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়িয়ে তুলছে।
তবে শুধু প্রযুক্তিই নয়, bKash গ্রাহকদের সচেতন করতেও নিয়মিত প্রচারণা চালাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি 'নিরাপদ লেনদেন' ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ফিশিং কল, ওটিপি শেয়ার না করা এবং সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট করার পরামর্শ দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, AI কেবল জালিয়াতি শনাক্ত করেই থামছে না; এটি ভবিষ্যতের জালিয়াতির ধরণও পূর্বাভাস দিতে সক্ষম, যা সময়ের আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে সাহায্য করে।
বাংলাদেশের AI খাতে এই ঘটনা একটি মাইলফলক। দেশের অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এখন AI-ভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণে আগ্রহী হচ্ছে। bKash-এর এই সাফল্য প্রমাণ করে যে, উন্নয়নশীল দেশেও AI প্রযুক্তি সঠিকভাবে ব্যবহার করলে লাখ লাখ মানুষের অর্থ সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। ভবিষ্যতে bKash আরও উন্নত ফেসিয়াল রিকগনিশন এবং বায়োমেট্রিক সিস্টেম যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে, যা জালিয়াতি প্রতিরোধকে আরও শক্তিশালী করবে।
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: AIখবর রিসার্চ
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...
