বিশ্বের শীর্ষ বিনিয়োগকারী সফটওয়্যার স্টক কিনতে শুরু করছে, বাংলাদেশি বাজারে প্রভাব ফেলবে
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগ ব্যবস্থাপক State Street টেক শেয়ারের দরপতনে কিনতে আগ্রহী। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা প্রধান মারিয়া ভেইটম্যান সফটওয়্যার স্টকে নতুন সুযোগ দেখছেন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা তাদের আন্ডারওয়েট পজিশন কমাচ্ছেন।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগ ব্যবস্থাপক State Street টেক শেয়ারের দরপতনে কিনতে আগ্রহী। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা প্রধান মারিয়া ভেইটম্যান সফটওয়্যার স্টকে নতুন সুযোগ দেখছেন এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা তাদের আন্ডারওয়েট পজিশন কমাচ্ছেন।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সম্পদ ব্যবস্থাপক State Street টেকনোলজি শেয়ারের সাম্প্রতিক দরপতনকে কেনার সুযোগ হিসেবে দেখছে। প্রতিষ্ঠানটির ইক্যুইটি রিসার্চ প্রধান মারিয়া ভেইটম্যান বলেছেন, আমরা সফটওয়্যার স্টকগুলোর মধ্যে নতুন সুযোগ দেখছি। ব্লুমবার্গ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান।
ভেইটম্যানের মতে, বিশ্লেষকরা এখন টেক কোম্পানিগুলোর মার্জিন এবং রাজস্ব প্রত্যাশা স্থিতিশীল করছেন। এর মানে হলো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI বাণিজ্যের এই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। একই সময়ে, বড় বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা টেক সেক্টরে তাদের আগের বড় আন্ডারওয়েট অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। আন্ডারওয়েট পজিশন মানে হলো, কোনো স্টক বা সেক্টরে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বিনিয়োগ রাখা। এখন তারা সেই অবস্থান কমিয়ে সক্রিয়ভাবে কিনতে শুরু করেছে।
State Street Global Markets-এর এই গবেষণা প্রধান আরও বলেন, আমরা দেখছি বিশ্লেষকরা তাদের মার্জিন এবং রাজস্ব প্রত্যাশা স্থিতিশীল করছে। একই সময়ে, আমরা দেখছি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা এই বড়, বড় আন্ডারওয়েট পজিশন থেকে কিনতে শুরু করেছে। ব্লুমবার্গের এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, State Street টেক ডিপ বা দরপতনের সময় কিনে ধরে রাখার কৌশল অব্যাহত রাখবে।
বৈশ্বিক প্রযুক্তি বাজারে সম্প্রতি AI-চালিত শেয়ারের দামে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা গেছে। অনেক বিনিয়োগকারী উচ্চ মূল্যায়নের কারণে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। কিন্তু ভেইটম্যানের মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, বড় তহবিলগুলো এখন আবারও টেক স্টকের দিকে ঝুঁকছে। বিশেষ করে সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোর দিকে তাদের আগ্রহ বেড়েছে। কারণ সফটওয়্যার সেক্টর AI-র সরাসরি সুবিধা পেতে পারে এবং তাদের ব্যবসায়িক মডেল তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। দেশের আইটি সেক্টর, বিশেষ করে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং ফ্রিল্যান্সিং খাত সরাসরি প্রভাবিত হতে পারে। যখন বড় বিশ্ব বিনিয়োগকারীরা টেক স্টক কিনতে থাকে, তখন বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি বিনিয়োগ বাড়ে। এর ফলে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার এবং সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন প্রকল্প এবং বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি, দেশীয় স্টক মার্কেটে টেকনোলজি সেক্টরের দিকেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়তে পারে।
ভেইটম্যানের এই মন্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে, টেক সেক্টরের জন্য সামনের দিনগুলোতে একটি ইতিবাচক প্রবণতা আসতে পারে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কেনাকাটা এবং বিশ্লেষকদের স্থিতিশীল প্রত্যাশা বাজারকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়তা করবে। তবে বিনিয়োগকারীদের উচিত বাজারের গতিপ্রকৃতি বুঝে সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...