ভুয়া খবর ঠেকাতে আসছে জাতীয় ই-সেফটি প্ল্যান, জানুন কী লাভ হবে
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ভুয়া খবর, মিস-ইনফরমেশন ও ডিজিটাল ঝুঁকি মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বিশেষজ্ঞদের একটি জাতীয় ই-সেফটি প্ল্যানের খসড়া সরকারের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ভুয়া খবর, মিস-ইনফরমেশন ও ডিজিটাল ঝুঁকি মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বিশেষজ্ঞদের একটি জাতীয় ই-সেফটি প্ল্যানের খসড়া সরকারের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ভুয়া খবর, মিস-ইনফরমেশন, ডিস-ইনফরমেশন এবং ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল ঝুঁকি মোকাবিলায় একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনার খসড়া চেয়েছেন। তিনি বিশেষজ্ঞদের একটি বাস্তবভিত্তিক ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান বা ই-সেফটি প্ল্যান সরকারের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার (6 জুলাই) এক বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, শুধু সমস্যা বিশ্লেষণ করে আর লাভ নেই। এখন প্রয়োজন বাস্তবসম্মত সমাধান এবং একটি কার্যকর জাতীয় কর্মপরিকল্পনা। ডিজিটাল মাধ্যম দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অপতথ্য ও সাইবার হামলার ঝুঁকি। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেরি করার সুযোগ নেই।
বিশেষজ্ঞদের উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তারা যেন সময়োপযোগী ও ব্যবহারিক একটি পরিকল্পনা তৈরি করেন। এই পরিকল্পনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার, ভুয়া খবর শনাক্তকরণ এবং গণমাধ্যমের সক্ষমতা বাড়ানোর মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সরকার চায় এমন একটি কাঠামো, যা সাধারণ মানুষের জীবনকে সুরক্ষিত করবে।
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। দেশে বর্তমানে প্রায় 13 কোটি মানুষ মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এই বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। ভুয়া খবর ও ডিজিটাল জালিয়াতির ঘটনা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। সম্প্রতি ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণার ঘটনা বেড়েছে ৩ গুণের বেশি।
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার, শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তাদের জন্য এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইনে নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাবে অনেক সময় ব্যবসা ও শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। একটি শক্তিশালী ই-সেফটি প্ল্যান তাদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
তথ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সব পক্ষের মতামত নেওয়া হবে। সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা একসঙ্গে কাজ করবেন। সবার সহযোগিতায় একটি টেকসই সমাধান বের করা সম্ভব।
ডিজিটাল ঝুঁকি মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে দেবে। বিশেষজ্ঞরা দ্রুত খসড়া তৈরি করে সরকারের কাছে জমা দেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের ডিজিটাল জীবন আরও সুরক্ষিত হবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Sarabangla Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...