ভিসা-চ্যাটজিপিটি চুক্তি: এআই এখন নিজেই কেনাকাটা করবে, জানুন আপনার কী লাভ
ভিসা তাদের পেমেন্ট নেটওয়ার্ক চ্যাটজিপিটির সঙ্গে যুক্ত করেছে। এর ফলে এআই এজেন্টরা ব্যবহারকারীদের পক্ষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেনাকাটা ও পেমেন্ট করতে পারবে। এটি এআই প্রযুক্তিকে বাস্তব বিশ্বের আর্থিক পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার একটি বড় পদক্ষেপ।
ভিসা তাদের পেমেন্ট নেটওয়ার্ক চ্যাটজিপিটির সঙ্গে যুক্ত করেছে। এর ফলে এআই এজেন্টরা ব্যবহারকারীদের পক্ষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেনাকাটা ও পেমেন্ট করতে পারবে। এটি এআই প্রযুক্তিকে বাস্তব বিশ্বের আর্থিক পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার একটি বড় পদক্ষেপ।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পেমেন্ট টেকনোলজি কোম্পানি ভিসা তাদের পেমেন্ট নেটওয়ার্ক ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটির সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। এই একীকরণের ফলে চ্যাটজিপিটির এআই এজেন্টরা এখন ব্যবহারকারীদের পক্ষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেনাকাটা করতে এবং পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবে। এপি নিউজ এই খবরটি প্রথম প্রকাশ করেছে।
এই উন্নয়ন এআই প্রযুক্তির জন্য একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত। এর আগে এআই এজেন্টরা শুধু তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও পরামর্শ দিতে পারত। এখন তারা সরাসরি বাস্তব বিশ্বের আর্থিক লেনদেনে অংশ নিতে পারবে। ভিসার এই পদক্ষেপ এআই-চালিত অর্থনীতির দিকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রযুক্তিগতভাবে, এই ইন্টিগ্রেশনটি ভিসার API-এর মাধ্যমে কাজ করবে। চ্যাটজিপিটির এআই এজেন্টরা ব্যবহারকারীর অনুমতি নিয়ে ভিসার পেমেন্ট নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হবে। এরপর এজেন্টরা বিভিন্ন অনলাইন স্টোর থেকে পণ্য বা সেবা নির্বাচন করে ক্রয় সম্পন্ন করতে পারবে। ব্যবহারকারীকে শুধু অনুমোদন দিতে হবে, বাকি সব কাজ এআই নিজেই করবে।
ভিসা জানিয়েছে, এই সিস্টেমটি নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। প্রতিটি লেনদেনের জন্য ব্যবহারকারীর স্পষ্ট অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এছাড়াও, ভিসার বিদ্যমান ফ্রড ডিটেকশন সিস্টেম এআই লেনদেনের জন্যও কাজ করবে। এটি নিশ্চিত করবে যে কোনো অননুমোদিত বা সন্দেহজনক লেনদেন ব্লক করা হবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই খবরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ফ্রিল্যান্সার, ডেভেলপার এবং টেক উদ্যোক্তারা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের কাজ আরও সহজ করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, একজন ফ্রিল্যান্সার তার এআই এজেন্টকে নির্দেশ দিতে পারবেন নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট সফটওয়্যার লাইসেন্স কিনতে বা ক্লাউড সার্ভিসের বিল পরিশোধ করতে।
এছাড়াও, ই-কমার্স খাতে এই প্রযুক্তি বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বাংলাদেশের অনলাইন শপগুলোর জন্য এআই এজেন্টরা পণ্য কেনার একটি নতুন মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে। তবে, এই প্রযুক্তি পুরোপুরি কার্যকর হতে আরও কিছু সময় লাগবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
ভিসা এবং ওপেনএআই এই অংশীদারিত্বকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা করছে। ভবিষ্যতে, এআই এজেন্টরা শুধু কেনাকাটাই নয়, বিল পরিশোধ, বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক পরিকল্পনাও করতে পারবে। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় এআই-এর ব্যবহারকে আরও গভীর করবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews LLM Models
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...