ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই ও ডেটা সায়েন্স কোর্স: প্রথম ব্যাচে ২০০ শিক্ষার্থী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এআই ও ডেটা সায়েন্স কোর্স চালু করেছে, প্রথম ব্যাচে ২০০ শিক্ষার্থী ভর্তি। কোর্সটিতে মেশিন লার্নিং, বিগ ডেটা ও ক্লাউড কম্পিউটিং অন্তর্ভুক্ত, যা দেশের এআই বিশেষজ্ঞ ঘাটতি পূরণে ভূমিকা রাখবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এআই ও ডেটা সায়েন্স কোর্স চালু করেছে, প্রথম ব্যাচে ২০০ শিক্ষার্থী ভর্তি। কোর্সটিতে মেশিন লার্নিং, বিগ ডেটা ও ক্লাউড কম্পিউটিং অন্তর্ভুক্ত, যা দেশের এআই বিশেষজ্ঞ ঘাটতি পূরণে ভূমিকা রাখবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স’ শীর্ষক একটি বিশেষায়িত স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা কোর্স চালু করেছে, যেখানে প্রথম ব্যাচে ২০০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। এই কোর্সটি দেশের ক্রমবর্ধমান তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে ডিজাইন করা হয়েছে।
কোর্সটির পাঠ্যসূচিতে মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, বিগ ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মতো আধুনিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য আইবিএম, গুগল এবং স্থানীয় স্টার্টআপগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে দুটি ল্যাব সেশন এবং একটি শিল্প-ভিত্তিক ওয়ার্কশপ থাকবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।
বাংলাদেশে বর্তমানে এআই ও ডেটা সায়েন্সে দক্ষ পেশাজীবীর চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে দেশে এআই বিশেষজ্ঞের ঘাটতি প্রায় ৩০ হাজার হবে। এই কোর্স সেই ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন শিক্ষাবিদরা। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, যেমন ব্র্যাক ব্যাংক, গ্রামীণফোন এবং ওয়ালটন, এই কোর্সের শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ ও চাকরির সুযোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ, কারণ কোর্স শেষে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘এআই স্পেশালিস্ট’ বা ‘ডেটা অ্যানালিস্ট’ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এই কোর্সটি দেশের ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করবে এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা দেবে।’ প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য কোর্স ফি ৫০ হাজার টাকা রাখা হয়েছে, যা অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।
যারা ভর্তি হতে চান, তাদের জন্য আবেদনের সময়সীমা আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে গণিত ও প্রোগ্রামিং দক্ষতা যাচাই করা হবে। এই কোর্সটি বাংলাদেশের এআই খাতে একটি মাইলফলক, যা দেশকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য প্রস্তুত করবে। শিক্ষার্থীদের উচিত এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: AIখবর রিসার্চ
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...
