বার্কলের PLAID মডেল: নতুন প্রোটিন তৈরি করে চিকিৎসা ও শিল্পে বিপ্লব
বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা PLAID নামের একটি মাল্টিমোডাল জেনারেটিভ মডেল তৈরি করেছেন। এটি AlphaFold2-এর মতো প্রোটিন ফোল্ডিং মডেলের লেটেন্ট স্পেস ব্যবহার করে নতুন প্রোটিন তৈরি করতে পারে। এই পদ্ধতি প্রোটিন ইঞ্জিনিয়ারিং ও ওষুধ শিল্পে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা PLAID নামের একটি মাল্টিমোডাল জেনারেটিভ মডেল তৈরি করেছেন। এটি AlphaFold2-এর মতো প্রোটিন ফোল্ডিং মডেলের লেটেন্ট স্পেস ব্যবহার করে নতুন প্রোটিন তৈরি করতে পারে। এই পদ্ধতি প্রোটিন ইঞ্জিনিয়ারিং ও ওষুধ শিল্পে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা বিভাগ (BAIR) এক যুগান্তকারী গবেষণায় PLAID নামের একটি মাল্টিমোডাল জেনারেটিভ মডেল তৈরি করেছে। এই মডেল প্রোটিনের একমাত্রিক সিকোয়েন্স ও ত্রিমাত্রিক কাঠামো একসঙ্গে তৈরি করতে পারে। এটি AlphaFold2-এর মতো প্রোটিন ফোল্ডিং মডেলের লেটেন্ট স্পেস থেকে শিখে নতুন প্রোটিন তৈরি করে।
২০২৪ সালে AlphaFold2-এর জন্য রসায়নে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি AI-এর জীববিজ্ঞানে ভূমিকার গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। কিন্তু গবেষকরা এখন প্রশ্ন তুলেছেন, প্রোটিন ফোল্ডিংয়ের পরবর্তী ধাপ কী হবে? PLAID সেই প্রশ্নের একটি উত্তর দিচ্ছে।
PLAID পদ্ধতিটি প্রোটিন ফোল্ডিং মডেলের ভেতরের লুকানো তথ্য ব্যবহার করে। এই লেটেন্ট স্পেসে প্রোটিনের গঠন ও কার্যকারিতার সম্পর্ক সংরক্ষিত থাকে। PLAID সেই তথ্য থেকে নমুনা নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন প্রোটিন তৈরি করতে পারে। এটি কেবল প্রোটিনের গঠনই নয়, তার কার্যকারিতাও পূর্বানুমান করতে পারে।
এই মডেলের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি কম্পোজিশনাল ফাংশন ও অর্গান টার্গেটিং করতে পারে। অর্থাৎ গবেষকরা চাইলে নির্দিষ্ট অঙ্গে কাজ করবে এমন প্রোটিন তৈরি করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, লিভার বা মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট কোষকে টার্গেট করবে এমন প্রোটিন ডিজাইন করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশে প্রোটিন ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি নিয়ে কাজ করা গবেষকদের জন্য এটি নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। স্থানীয় ওষুধ শিল্প ও জৈবপ্রযুক্তি স্টার্টআপগুলো PLAID ব্যবহার করে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রোটিন ডিজাইন করতে পারবে। এটি বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে।
তবে এখনো এই পদ্ধতি গবেষণাগার পর্যায়ে রয়েছে। বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে আরও কিছু সময় লাগবে। তবুও এটি প্রমাণ করে যে AI-চালিত প্রোটিন ডিজাইন এখন বাস্তব সম্ভাবনা। ভবিষ্যতে PLAID-এর মতো মডেল ওষুধ আবিষ্কার ও রোগ নিরাময়ে বিপ্লব ঘটাতে পারে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: BAIR Berkeley
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...