বাংলাদেশের স্মার্ট নেশন লক্ষ্য পূরণে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির কৌশল
ইন্টারনেট গভর্নেন্স বিশেষজ্ঞ অমৃতা চৌধুরী বলেছেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও বিশ্ব পরিমণ্ডলে অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণের মাধ্যমেই বাংলাদেশ তার স্মার্ট নেশন লক্ষ্য অর্জন করতে পারে। এটি দেশের বৈশ্বিক কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করবে।
ইন্টারনেট গভর্নেন্স বিশেষজ্ঞ অমৃতা চৌধুরী বলেছেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও বিশ্ব পরিমণ্ডলে অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণের মাধ্যমেই বাংলাদেশ তার স্মার্ট নেশন লক্ষ্য অর্জন করতে পারে। এটি দেশের বৈশ্বিক কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করবে।
বাংলাদেশ তার বিশ্ব ডিজিটাল কণ্ঠস্বর শক্তিশালী করতে পারে অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণের মাধ্যমে। ডেইলি স্টার টেকের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ইন্টারনেট গভর্নেন্স বিশেষজ্ঞ অমৃতা চৌধুরী বাংলাদেশের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ দিকটি তুলে ধরেছেন।
ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করাই স্মার্ট নেশন লক্ষ্য অর্জনের মূল চাবিকাঠি। অমৃতা চৌধুরী বলেন, শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই হবে না। প্রযুক্তির নীতি নির্ধারণ ও পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির মাধ্যমে অনেক দূর এগিয়েছে। এখন স্মার্ট নেশন বাস্তবায়নের সময় এসেছে। এই যাত্রায় বিশ্ব ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরামের মতো প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। অমৃতা চৌধুরী মনে করেন, এতে করে বাংলাদেশ তার নিজস্ব চাহিদা ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে পারবে।
ইন্টারনেট গভর্নেন্স বলতে বোঝায় ইন্টারনেটের নীতি, নিয়ম ও পরিচালনা পদ্ধতি। এটি শুধু সরকার বা বড় কোম্পানির বিষয় নয়। সাধারণ নাগরিক, শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তাদেরও এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ আছে। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি বড় সম্ভাবনা।
অমৃতা চৌধুরী আরও বলেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি মানে শুধু ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া নয়। এর অর্থ হলো সবাই যেন ডিজিটাল সেবা ও সুযোগ সমানভাবে পায়। নারী, প্রতিবন্ধী ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য এটি বিশেষভাবে জরুরি। তাদের অন্তর্ভুক্ত করলেই প্রকৃত স্মার্ট নেশন গড়া সম্ভব।
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এই আলোচনার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তারা যদি বিশ্ব ডিজিটাল নীতি নির্ধারণে অংশ নিতে পারে, তাহলে তাদের ব্যবসা ও কাজের পরিবেশ আরও উন্নত হবে। এতে করে দেশের অর্থনীতিও লাভবান হবে।
স্মার্ট নেশন বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে আরও কয়েকটি বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে। প্রথমত, ডিজিটাল শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, স্থানীয় ভাষায় ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে। তৃতীয়ত, সব স্তরে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষজ্ঞের মতে, বাংলাদেশের এখনই সময় বিশ্ব ডিজিটাল মঞ্চে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার। অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশটি শুধু নিজের স্বার্থ রক্ষাই করতে পারবে না, বরং বিশ্ব ডিজিটাল অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। এটি স্মার্ট নেশন যাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Daily Star Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...