বাংলাদেশে প্রতি ৫ সিইওতে ১ জনের কোম্পানিতে AI রাজস্ব বাড়াচ্ছে
PwC-এর এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের প্রতি ৫ জন সিইওতে ১ জন জানিয়েছেন যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) তাদের কোম্পানির রাজস্ব বাড়াতে শুরু করেছে। এই তথ্য দেশের ব্যবসায়িক জগতে AI-এর ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে নির্দেশ করে।
PwC-এর এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের প্রতি ৫ জন সিইওতে ১ জন জানিয়েছেন যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) তাদের কোম্পানির রাজস্ব বাড়াতে শুরু করেছে। এই তথ্য দেশের ব্যবসায়িক জগতে AI-এর ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে নির্দেশ করে।
বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বিশ্বখ্যাত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান PricewaterhouseCoopers (PwC)-এর এক জরিপে উঠে এসেছে, দেশের প্রতি ৫ জন সিইওতে ১ জন ইতোমধ্যে AI-কে রাজস্ব বৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন।
PwC-এর এই জরিপটি বাংলাদেশের ব্যবসায়িক খাতে AI-এর বাস্তব প্রভাব তুলে ধরেছে। জরিপে অংশ নেওয়া সিইওরা জানিয়েছেন, তারা শুধু ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করছেন না, বরং বর্তমানেই AI থেকে আর্থিক সুবিধা পেতে শুরু করেছেন। এটি ইঙ্গিত দেয় যে বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক নেতৃত্ব প্রযুক্তিগত রূপান্তরকে গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছেন।
The Business Standard-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই জরিপটি PwC-এর ২০২৫ সালের বার্ষিক সিইও জরিপের অংশ। জরিপটি বিশ্বব্যাপী ৪,৭০০-এর বেশি সিইওর মতামতের ভিত্তিতে তৈরি, যার মধ্যে বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরাও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। জরিপের ফলাফল বলছে, AI-কে কাজে লাগিয়ে যারা ইতিমধ্যে রাজস্ব বাড়াতে পেরেছেন, তারা ভবিষ্যতে আরও আক্রমণাত্মকভাবে এই প্রযুক্তি গ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশের প্রসঙ্গে এলে দেখা যায়, দেশের ব্যবসায়ীরা AI-কে শুধু একটি ট্রেন্ড হিসেবে নয়, বরং প্রতিযোগিতামূলক থাকার জন্য একটি অপরিহার্য হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে তৈরি পোশাক, ব্যাংকিং, টেলিকম এবং ই-কমার্স খাতে AI-এর ব্যবহার বাড়ছে। ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারাও এখন AI-ভিত্তিক টুলস ব্যবহার করে গ্রাহক বিশ্লেষণ, সাপ্লাই চেইন অপটিমাইজেশন এবং বিপণন কৌশল নির্ধারণ করছেন।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, AI থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে হলে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও দক্ষ মানবসম্পদ। শুধু প্রযুক্তি কিনে ফেললেই হবে না, কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি। PwC-এর জরিপটি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে — AI আর ভবিষ্যতের বিষয় নয়, এটি বর্তমানের বাস্তবতা।
ভবিষ্যতে AI-এর ব্যবহার আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেসব কোম্পানি এখনই এই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করছে, তারা আগামী বছরগুলোতে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে। বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এটি একটি ইতিবাচক সংকেত, কারণ AI-চালিত প্রবৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা ও রপ্তানি ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews BD-AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...