বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন পাইলটে এলসি হবে ডিজিটাল, বাণিজ্যে সময় বাঁচবে ৩ গুণ
বাণিজ্যিক লেনদেন দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে এলসি ও ডকুমেন্টারি কালেকশনে ডিজিটাল ট্রেড ডকুমেন্ট ব্যবহারের পাইলট কাঠামো চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই উদ্যোগ দেশের আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়াকে আধুনিক করবে।
বাণিজ্যিক লেনদেন দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে এলসি ও ডকুমেন্টারি কালেকশনে ডিজিটাল ট্রেড ডকুমেন্ট ব্যবহারের পাইলট কাঠামো চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই উদ্যোগ দেশের আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়াকে আধুনিক করবে।
বাণিজ্যিক লেনদেন আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে আমদানি-রফতানি এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) এবং ডকুমেন্টারি কালেকশনে ডিজিটাল ট্রেড ডকুমেন্ট ব্যবহারের জন্য পরীক্ষামূলক (পাইলট) কাঠামো চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বুধবার (১ জুলাই) বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ-১ (এফইপিডি) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব অথরাইজড ডিলার (এডি) ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই পাইলট কাঠামোর আওতায় ব্যাংকগুলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এলসি ও ডকুমেন্টারি কালেকশন সম্পন্ন করতে পারবে।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়ায় কাগজের ব্যবহার কমানো এবং সময় ও খরচ সাশ্রয় করা। বর্তমানে এসব লেনদেনে কাগজের ডকুমেন্ট ব্যবহারের কারণে অনেক সময় বিলম্ব হয় এবং জালিয়াতির ঝুঁকি থাকে। ডিজিটাল ডকুমেন্ট ব্যবহার করলে এই সমস্যা দূর হবে।
পাইলট কাঠামোটি প্রথমে নির্বাচিত কিছু ব্যাংকে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। সফল হলে পরবর্তীতে দেশের সব ব্যাংকে এটি সম্প্রসারণ করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই পদক্ষেপ দেশের বাণিজ্যিক পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।
বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, ব্যাংকার এবং রফতানিকারকদের জন্য এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখন থেকে তারা দ্রুত ও নিরাপদে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা যারা সময় ও অর্থের অভাবে প্রায়ই সমস্যায় পড়েন, তারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।
ডিজিটাল ট্রেড ডকুমেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে লেনদেনের প্রতিটি ধাপ ইলেকট্রনিকভাবে নথিভুক্ত থাকবে। ফলে জালিয়াতি ও অনিয়মের সম্ভাবনা কমে যাবে। একইসঙ্গে ব্যাংক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান আরও সহজ হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পদক্ষেপ দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি দেশের আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করবে এবং ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াবে। ভবিষ্যতে এই কাঠামো আরও সম্প্রসারিত হলে পুরো বাণিজ্যিক ইকোসিস্টেম ডিজিটালাইজড হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Sarabangla Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...