বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩০ কর্মকর্তার জন্য ডিইউতে এআই কোর্স, নারীদের বাদ দেওয়া ‘নিরাপত্তা’ কারণে
বাংলাদেশ ব্যাংক ডিইউর এআই কোর্সে ৩০ কর্মকর্তা নির্বাচন করলেও নারীদের বাদ দিয়েছে ‘নিরাপত্তা’ অজুহাতে। প্রযুক্তি অঙ্গনে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
বাংলাদেশ ব্যাংক ডিইউর এআই কোর্সে ৩০ কর্মকর্তা নির্বাচন করলেও নারীদের বাদ দিয়েছে ‘নিরাপত্তা’ অজুহাতে। প্রযুক্তি অঙ্গনে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
বাংলাদেশ ব্যাংক ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিইউ) একটি বিশেষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কোর্সে অংশ নিতে ৩০ জন কর্মকর্তাকে নির্বাচিত করেছে। তবে এই তালিকায় কোনো নারী কর্মকর্তাকে রাখা হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে’ নারীদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। এই খবরটি দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোর্সটির বিষয়বস্তু ও প্রশিক্ষণের পরিবেশ নারী কর্মকর্তাদের জন্য ‘উপযুক্ত নয়’ বলে তারা মনে করে। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রযুক্তি ও শিক্ষাখাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই প্রশিক্ষণে নারীদের বাদ দেওয়া দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বড় বাধা। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়লেও সরকারি প্রতিষ্ঠানে এখনও এই বৈষম্য দেখা যাচ্ছে।
এই কোর্সটি মূলত এআই, মেশিন লার্নিং ও ডেটা সায়েন্সের ওপর ফোকাস করবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তারাই এতে অংশ নিচ্ছেন। কিন্তু নারীদের বাদ দেওয়ার ঘটনা দেশের আইসিটি খাতে লিঙ্গবৈষম্যের একটি নতুন উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপত্তার অজুহাতে নারীদের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষার মূল লক্ষ্যের পরিপন্থী।
বাংলাদেশের ডেভেলপার ও ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটিতে এ খবরটি ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অনেকে মনে করছেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারীদের জন্য আলাদা নিরাপদ প্রশিক্ষণ পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব। কিন্তু বর্তমান সিদ্ধান্তটি দেশের প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শিক্ষার্থী ও তরুণ পেশাজীবীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনগত ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রযুক্তি সংবাদমাধ্যমগুলো এই ঘটনাকে ‘লিঙ্গবৈষম্যের চরম উদাহরণ’ হিসেবে চিহ্নিত করছে। আগামী দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা বা পুনর্বিবেচনা আসে কিনা, সেদিকে তাকিয়ে আছে সবাই।
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Google News BD-AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...
