বাংলা কিউআর কোড চালু, ডিজিটাল লেনদেনে আসছে বড় সুবিধা
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আজিজ সুপার মার্কেটে ‘বাংলা কিউআর কোড’ ব্যবহার করে কেনাকাটা শেষে ঘোষণা দিয়েছেন। এই উদ্যোগ দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করবে। বিগত সরকার প্রযুক্তি ও জনগণের মধ্যে সম্মিলন ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আজিজ সুপার মার্কেটে ‘বাংলা কিউআর কোড’ ব্যবহার করে কেনাকাটা শেষে ঘোষণা দিয়েছেন। এই উদ্যোগ দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করবে। বিগত সরকার প্রযুক্তি ও জনগণের মধ্যে সম্মিলন ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রযুক্তিনির্ভর লেনদেন বাড়াতে সরকার ‘বাংলা কিউআর কোড’ চালু করেছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন শনিবার (4 জুলাই) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে এই কোড ব্যবহার করে কেনাকাটার পর এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, বিগত সরকার জনগণের সঙ্গে প্রযুক্তি সম্মিলন ঘটাতে ব্যর্থ হয়েছে।
‘বাংলা কিউআর কোড’ দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করবে বলে আশা করছে সরকার। এই কোড ব্যবহার করে গ্রাহকরা মোবাইল ব্যাংকিং ও অন্যান্য ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা দ্রুত এবং নিরাপদে সম্পন্ন করতে পারবেন। বিশেষ করে ছোট ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জন্য এটি লেনদেনের খরচ কমিয়ে আনবে।
তথ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ‘বাংলা কিউআর কোড’ তারই একটি অংশ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সব স্তরের মানুষকে প্রযুক্তির আওতায় আনা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের সময় প্রযুক্তি ও জনগণের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, কিউআর কোড ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেম বিশ্বের অনেক দেশেই জনপ্রিয়। বাংলাদেশে এটির ব্যবহার এখনও সীমিত। ‘বাংলা কিউআর কোড’ চালুর মাধ্যমে এই ব্যবধান কমানো সম্ভব হবে। এটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত লেনদেন পর্যন্ত সর্বত্র ব্যবহার করা যাবে। ব্যবহারকারীদের শুধুমাত্র একটি স্মার্টফোন ও সংশ্লিষ্ট অ্যাপ থাকলেই হবে।
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার, ডেভেলপার ও শিক্ষার্থীদের জন্য এই উদ্যোগ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ডিজিটাল লেনদেন সহজ হলে তারা আরও দ্রুত অর্থ লেনদেন করতে পারবেন। এছাড়া সাধারণ ব্যবহারকারীরাও নগদ অর্থের ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন। ‘বাংলা কিউআর কোড’ ছোট ব্যবসায়ীদের জন্যও লাভজনক হবে, কারণ এতে লেনদেনের সময় ও খরচ উভয়ই কমবে।
তথ্যমন্ত্রী আরও জানান, সরকার এই কোডের ব্যবহার সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। এর মধ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও প্রচারাভিযান অন্তর্ভুক্ত। ভবিষ্যতে সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ‘বাংলা কিউআর কোড’ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এই উদ্যোগ দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
‘বাংলা কিউআর কোড’ চালু হওয়ায় দেশের ডিজিটাল লেনদেনের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। সরকারের এই পদক্ষেপ প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে এই কোডের ব্যবহার আরও বিস্তৃত হবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Sarabangla Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...