Anthropic-এর Glasswing সাইবার নিরাপত্তা ১৫০ প্রতিষ্ঠানে, বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের সুযোগ
Anthropic তাদের ক্লদ মিথোস প্রিভিউ মডেল ব্যবহার করে সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার জন্য 'প্রজেক্ট গ্লাসউইং' কর্মসূচি সম্প্রসারিত করেছে। প্রথমে ৫০টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে এখন আরও ১৫০টি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে। মাইক্রোসফট, এনভিডিয়া ও গুগলের মতো শীর্ষ কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যে অংশগ্রহণ করছে।
Anthropic তাদের ক্লদ মিথোস প্রিভিউ মডেল ব্যবহার করে সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার জন্য 'প্রজেক্ট গ্লাসউইং' কর্মসূচি সম্প্রসারিত করেছে। প্রথমে ৫০টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে এখন আরও ১৫০টি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে। মাইক্রোসফট, এনভিডিয়া ও গুগলের মতো শীর্ষ কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যে অংশগ্রহণ করছে।
Anthropic PBC তাদের সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার কর্মসূচি 'প্রজেক্ট গ্লাসউইং' সম্প্রসারিত করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সাইবার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরীক্ষা করতে ক্লদ মিথোস প্রিভিউ মডেল ব্যবহার করতে পারবে। প্রথমে প্রায় ৫০টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে এখন আরও ১৫০টি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে।
এই সম্প্রসারণের ফলে সাইবার নিরাপত্তা খাতে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। প্রতিষ্ঠানগুলো এখন তাদের দুর্বলতা চিহ্নিত করতে এবং আক্রমণ প্রতিরোধের কৌশল উন্নত করতে AI প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে। সিলিকনঅ্যাঙ্গেলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই কর্মসূচি ইতিমধ্যে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন, এনভিডিয়া কর্পোরেশন, গুগল এলএলসি এবং অন্যান্য শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ পেয়েছে।
ক্লদ মিথোস প্রিভিউ মডেলটি বিশেষভাবে সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই মডেলটি বিভিন্ন ধরনের সাইবার আক্রমণের অনুকরণ করতে পারে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে পারে। আগের চেয়ে আরও নির্ভুল এবং দ্রুত ফলাফল প্রদানের মাধ্যমে এই মডেলটি সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের কাজকে সহজ করে তুলবে।
প্রতিষ্ঠানগুলো এই কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের নেটওয়ার্ক, অ্যাপ্লিকেশন এবং ডেটা সেন্টারের নিরাপত্তা পরীক্ষা করতে পারবে। ক্লদ মিথোস প্রিভিউ মডেলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুর্বলতা সনাক্ত করতে পারে এবং সেগুলো সমাধানের জন্য পরামর্শ দিতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় সময় এবং সম্পদ উভয়ই সাশ্রয় হয়।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য এই খবরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এই কর্মসূচি থেকে শিখতে এবং উপকৃত হতে পারেন। স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সাইবার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে এই ধরনের AI প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে। এটি বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর নিরাপত্তা বাড়াতে সাহায্য করবে।
ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রতিষ্ঠান এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারে। Anthropic ইতিমধ্যে এই কর্মসূচির সাফল্য দেখে উৎসাহিত এবং আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে। সাইবার নিরাপত্তা খাতে AI প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে থাকবে এবং এটি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি অপরিহার্য হাতিয়ার হয়ে উঠবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: SiliconAngle AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...