Anthropic-এর AI ওষুধ আবিষ্কারে সময় কমবে ১২ থেকে ৮ বছর, জানালেন নোভার্টিস সিইও
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানি Anthropic অবহেলিত রোগের জন্য ওষুধ আবিষ্কার কর্মসূচি শুরু করেছে। নোভার্টিসের সিইও বলেছেন, AI ওষুধ উন্নয়নের সময় 12 বছর থেকে কমিয়ে 7-8 বছর করতে পারে এবং সাফল্যের হার দ্বিগুণ করতে পারে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানি Anthropic অবহেলিত রোগের জন্য ওষুধ আবিষ্কার কর্মসূচি শুরু করেছে। নোভার্টিসের সিইও বলেছেন, AI ওষুধ উন্নয়নের সময় 12 বছর থেকে কমিয়ে 7-8 বছর করতে পারে এবং সাফল্যের হার দ্বিগুণ করতে পারে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান Anthropic অবহেলিত রোগের জন্য ওষুধ আবিষ্কার কর্মসূচি চালু করেছে। বড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো যে রোগগুলোর দিকে নজর দেয় না, সেগুলোর চিকিৎসা খুঁজে বের করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। এই ঘোষণা ওষুধ শিল্পে AI-এর সম্ভাবনাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
Anthropic-এর এই পদক্ষেপের কারণ হলো, বিশ্বে অনেক রোগ আছে যেগুলোর ওষুধ তৈরি হয় না কারণ সেগুলো থেকে লাভ কম। ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, লিশম্যানিয়াসিসের মতো রোগ প্রতিরোধযোগ্য হলেও গবেষণার অভাবে চিকিৎসা পায় না। Anthropic তাদের AI মডেল ব্যবহার করে এই ফাঁক পূরণ করতে চায়।
নোভার্টিসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস নরসিমহান বলেছেন, AI ওষুধ শিল্পে বিপ্লব ঘটাতে পারে। তিনি জানান, AI ব্যবহার করে ওষুধ উন্নয়নের সময় 12 বছর থেকে কমিয়ে 7-8 বছর করা সম্ভব। বর্তমানে একটি ওষুধ বাজারে আসতে গড়ে 10 থেকে 15 বছর সময় লাগে।
AI শুধু সময়ই বাঁচাবে না, সাফল্যের হারও বাড়াবে। নরসিমহান বলেন, বর্তমানে ওষুধ আবিষ্কারের সাফল্যের হার মাত্র 8 শতাংশ। AI এই হার দ্বিগুণ করে 16 শতাংশে নিয়ে যেতে পারে। এর অর্থ হলো, কম ব্যর্থতা এবং কম খরচে বেশি কার্যকর ওষুধ পাওয়া যাবে।
ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকোর (UCSF) গবেষকরাও এই বিষয়ে কাজ করছেন। তারা দেখেছেন, AI মডেলগুলো প্রোটিন গঠন বিশ্লেষণ করে দ্রুত ওষুধের লক্ষ্য চিহ্নিত করতে পারে। এই প্রযুক্তি হাজার হাজার সম্ভাব্য যৌগ পরীক্ষা করে সেরাটি বেছে নিতে পারে, যা মানুষের পক্ষে অসম্ভব।
বাংলাদেশের জন্যও এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। দেশে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া এবং অন্যান্য গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগের প্রকোপ বেশি। AI-চালিত ওষুধ আবিষ্কার এই রোগগুলোর চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো AI প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের গবেষণা আরও কার্যকর করতে পারে।
বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্যও এই খবর প্রেরণাদায়ক। AI এবং বায়োটেকনোলজির সমন্বয়ে নতুন ক্যারিয়ারের পথ তৈরি হচ্ছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে AI ও ওষুধ গবেষণার ওপর জোর দিলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশও এই ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারবে।
Anthropic-এর এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে AI শুধু প্রযুক্তি কোম্পানির জন্যই নয়, মানবতার সেবায়ও ব্যবহার করা যায়। ভবিষ্যতে আরও কোম্পানি এই পথে এগিয়ে এলে পৃথিবীর সবচেয়ে অবহেলিত রোগগুলোর চিকিৎসা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...