আমেরিকার হাসপাতালে নবজাতকের পায়ের ছাপ এখন ডিজিটাল, জানুন কী লাভ
আমেরিকার 160টি হাসপাতালে নবজাতকের পায়ের ছাপ নেওয়ার পুরনো কালির পদ্ধতি বদলে দিচ্ছে ডিজিটাল বায়োমেট্রিক হ্যাশ। ইতিমধ্যে 1.5 মিলিয়ন শিশুর ডিজিটাল আইডি তৈরি হয়েছে। এই প্রযুক্তি শিশু সনাক্তকরণ ও স্বাস্থ্যসেবায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছে।
আমেরিকার 160টি হাসপাতালে নবজাতকের পায়ের ছাপ নেওয়ার পুরনো কালির পদ্ধতি বদলে দিচ্ছে ডিজিটাল বায়োমেট্রিক হ্যাশ। ইতিমধ্যে 1.5 মিলিয়ন শিশুর ডিজিটাল আইডি তৈরি হয়েছে। এই প্রযুক্তি শিশু সনাক্তকরণ ও স্বাস্থ্যসেবায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছে।
আমেরিকার হাসপাতালগুলোতে নবজাতকের পায়ের ছাপ নেওয়ার পদ্ধতি বদলে যাচ্ছে। কালির পরিবর্তে এখন ব্যবহার করা হচ্ছে ডিজিটাল বায়োমেট্রিক হ্যাশ। ইতিমধ্যে 160টি হাসপাতালে 1.5 মিলিয়ন শিশুর ডিজিটাল আইডি তৈরি হয়েছে। ফ্লোরিডার তিনটি হাসপাতাল এই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে।
এই পরিবর্তন শুধু একটি মানবিক গল্প নয়। কম্পিউটার ভিশন এবং বায়োমেট্রিক অথেনটিকেশন নিয়ে কাজ করা ডেভেলপারদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। শিশুদের বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের ব্যাপক মাপের প্রয়োগ শুরু হয়েছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে প্রতিটি নবজাতকের একটি অনন্য ডিজিটাল পরিচয় তৈরি হচ্ছে।
প্রযুক্তিগতভাবে এই পদ্ধতি আগের চেয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। নবজাতকের পায়ের ছাপ স্ক্যান করে তা একটি ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশে রূপান্তরিত করা হয়। এই হ্যাশটি হাসপাতালের ডাটাবেসে সংরক্ষিত থাকে। পরবর্তীতে শিশুটির চিকিৎসা বা সনাক্তকরণের প্রয়োজন হলে এই হ্যাশ ব্যবহার করা যায়। কালির ছাপের তুলনায় এই পদ্ধতি অনেক বেশি নিরাপদ এবং স্থায়ী।
শিশু সনাক্তকরণের এই নতুন পদ্ধতি স্বাস্থ্যসেবায় এক বড় পরিবর্তন আনতে পারে। হাসপাতালে শিশু অদলবদলের মতো ঘটনা রোধ করা সহজ হবে। এছাড়া জরুরি অবস্থায় দ্রুত শিশুর পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে। এই সিস্টেমটি শিশুর স্বাস্থ্য রেকর্ডের সাথেও যুক্ত করা সম্ভব।
বাংলাদেশের জন্য এই খবর বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের হাসপাতালগুলোতে এখনও নবজাতকের পায়ের ছাপ নেওয়ার জন্য কালি ব্যবহার করা হয়। এই ডিজিটাল পদ্ধতি গ্রহণ করলে শিশু সনাক্তকরণের নির্ভুলতা বাড়বে। বাংলাদেশের ডেভেলপার ও স্বাস্থ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এই সিস্টেম নিয়ে গবেষণা করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সারদের জন্যও বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি আরও সম্প্রসারিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুধু পায়ের ছাপ নয়, অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্যও সংযুক্ত করা যেতে পারে। তবে ডাটা সুরক্ষা এবং গোপনীয়তার বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি। এই সিস্টেমের সফল বাস্তবায়ন নির্ভর করবে প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা এবং ব্যবহারকারীদের আস্থার উপর।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to ML
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...