আলিবাবার Qwen 3.8-Max এলো, AI খরচ কমবে ৩ গুণ, কাজ হবে দ্রুত
আলিবাবা তাদের সবচেয়ে বড় AI মডেল Qwen 3.8-Max উন্মোচন করেছে, যা 2.4 ট্রিলিয়ন প্যারামিটার নিয়ে এসেছে। মডেলটি শুধুমাত্র 95 বিলিয়ন প্যারামিটার সক্রিয় করে দ্রুত ও সাশ্রয়ীভাবে কাজ করবে। আগামী সপ্তাহে মডেলটির ওপেন ওয়েট প্রকাশ করা হবে।
আলিবাবা তাদের সবচেয়ে বড় AI মডেল Qwen 3.8-Max উন্মোচন করেছে, যা 2.4 ট্রিলিয়ন প্যারামিটার নিয়ে এসেছে। মডেলটি শুধুমাত্র 95 বিলিয়ন প্যারামিটার সক্রিয় করে দ্রুত ও সাশ্রয়ীভাবে কাজ করবে। আগামী সপ্তাহে মডেলটির ওপেন ওয়েট প্রকাশ করা হবে।
চীনের প্রযুক্তি জায়ান্ট আলিবাবা সোমবার তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী AI মডেল Qwen 3.8-Max উন্মোচন করেছে। এই মডেলটিতে মোট 2.4 ট্রিলিয়ন প্যারামিটার রয়েছে, যা একটি AI মডেলের জ্ঞানের ভান্ডার হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে দক্ষতার জন্য মডেলটি একবারে মাত্র 95 বিলিয়ন প্যারামিটার সক্রিয় করে, ফলে এটি দ্রুত এবং কম শক্তিতে কাজ করতে পারে।
এই মডেলটি আলিবাবা ক্লাউডের মডেল স্টুডিওর মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে এবং আগামী সপ্তাহে এর ওপেন ওয়েট প্রকাশ করা হবে। ওপেন ওয়েট প্রকাশের অর্থ হলো ডেভেলপাররা নিজেদের সার্ভারে মডেলটি ডাউনলোড করে কাস্টমাইজ করতে পারবেন। এটি ওপেন সোর্স AI কমিউনিটিতে আলিবাবার অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।
Qwen 3.8-Max এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর মিশ্র বিশেষজ্ঞ আর্কিটেকচার। এই প্রযুক্তিতে মডেলের বিশাল নেটওয়ার্কের মধ্যে থেকে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় অংশ সক্রিয় হয়, যা GPT-4 এর মতো মডেলের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকরী। আলিবাবা দাবি করেছে যে, এই মডেলটি ভাষা বোঝা, কোডিং এবং গণিতের মতো জটিল কাজে আগের যেকোনো মডেলের চেয়ে ভালো পারফর্ম করবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মডেলটি আলিবাবার AI কৌশলে একটি বড় পদক্ষেপ। কোম্পানিটি ইতিমধ্যে Qwen সিরিজের ছোট মডেলগুলো ওপেন সোর্স হিসেবে প্রকাশ করেছে, যা বিশ্বজুড়ে ডেভেলপারদের মধ্যে জনপ্রিয়। এখন 3.8-Max এর মাধ্যমে তারা বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা সংস্থাগুলোর দিকে নজর দিচ্ছে, যারা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন AI মডেল খুঁজছে।
বাংলাদেশের ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের জন্য এই খবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওপেন ওয়েট প্রকাশের ফলে স্থানীয় ডেভেলপাররা মডেলটি ডাউনলোড করে নিজেদের ডেটায় ট্রেইন করতে পারবেন, যা কাস্টমার সার্ভিস, অটোমেশন বা ডেটা অ্যানালিটিক্সের মতো খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। বিশেষ করে যারা ইংরেজি ছাড়াও বাংলাসহ একাধিক ভাষায় কাজ করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি শক্তিশালী টুল হতে পারে।
তবে এই মডেলটি ব্যবহার করতে হলে শক্তিশালী কম্পিউটার এবং পর্যাপ্ত GPU প্রয়োজন হবে, যা বাংলাদেশের সাধারণ ডেভেলপারদের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবুও ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যবহার করার সুবিধা থাকায় ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোও এটি চেষ্টা করতে পারবে। আলিবাবা ক্লাউডের পাশাপাশি অন্যান্য প্ল্যাটফর্মেও মডেলটি যুক্ত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
এই মডেল প্রকাশের মাধ্যমে AI প্রতিযোগিতায় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল আলিবাবা। এখন দেখার বিষয়, ওপেন ওয়েট প্রকাশের পর বিশ্বের ডেভেলপার সম্প্রদায় কীভাবে এই মডেলকে গ্রহণ করে। বাংলাদেশের AI গবেষক এবং উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি নতুন সুযোগ, যা স্থানীয় ভাষা ও সমস্যার সমাধানে সহায়ক হতে পারে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Daily Star Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...