AI সাবস্ক্রিপশনের দাম বাড়ছে, চীনা মডেলে সাশ্রয় করছে কোম্পানি
বিশ্বজুড়ে AI সাবস্ক্রিপশনের দাম ক্রমশ বাড়ছে। এই ব্যয়ের চাপ থেকে বাঁচতে কোম্পানিগুলো এখন চীনের তৈরি লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM) এবং ওপেন সোর্স মডেলের দিকে ঝুঁকছে। টমস হার্ডওয়্যারের এক প্রতিবেদনে এই প্রবণতা উঠে এসেছে।
বিশ্বজুড়ে AI সাবস্ক্রিপশনের দাম ক্রমশ বাড়ছে। এই ব্যয়ের চাপ থেকে বাঁচতে কোম্পানিগুলো এখন চীনের তৈরি লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM) এবং ওপেন সোর্স মডেলের দিকে ঝুঁকছে। টমস হার্ডওয়্যারের এক প্রতিবেদনে এই প্রবণতা উঠে এসেছে।
বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI সেবার সাবস্ক্রিপশন খরচ দ্রুত বাড়ছে। এই ব্যয়বৃদ্ধির ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান বাজেটের চাপে পড়ছে। টমস হার্ডওয়্যার জানিয়েছে, কোম্পানিগুলো এখন সাশ্রয়ী বিকল্প খুঁজছে।
এই চাপ থেকে বাঁচতে প্রতিষ্ঠানগুলো চীনের তৈরি লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল বা LLM এবং ওপেন সোর্স মডেল ব্যবহার করছে। চীনের কোম্পানিগুলো যেমন Baidu, Alibaba এবং Tencent তাদের নিজস্ব AI মডেল তৈরি করছে। এই মডেলগুলোর দাম পশ্চিমা প্রতিযোগীদের তুলনায় অনেক কম।
ওপেন সোর্স মডেলগুলোর দিকেও ঝুঁকছে কোম্পানিগুলো। মেটার Llama এবং Mistral AI এর মতো ওপেন সোর্স মডেল বিনামূল্যে পাওয়া যায়। কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী এই মডেলগুলো কাস্টমাইজ করে নিতে পারে। এতে করে তাদের বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন খরচ অনেক কমে যায়।
টমস হার্ডওয়্যারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, AI শিল্প একটি মূল্য সীমা বা প্রাইসিং ওয়ালে পৌঁছেছে। GPT-4 এবং অন্যান্য টপ মডেলের দাম এত বেশি যে ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তা বহন করা কঠিন হয়ে পড়ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো এখন প্রতি টোকেন বা প্রতি API কলের খরচ হিসেব করে দেখছে যে ওপেন সোর্স মডেল ব্যবহার করলে ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ খরচ কমানো সম্ভব।
বাংলাদেশের ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার এবং স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই খবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় অনেক উদ্যোক্তা এবং ফ্রিল্যান্সার AI টুল ব্যবহার করে কাজ করছেন। সাবস্ক্রিপশন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তাদের লাভের মার্জিন কমে যাচ্ছে। চীনা LLM এবং ওপেন সোর্স মডেল ব্যবহার করে তারা খরচ কমিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে।
শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের জন্যও এই বিকল্পগুলো আশীর্বাদস্বরূপ। বিনামূল্যের ওপেন সোর্স মডেল ব্যবহার করে তারা নিজেদের প্রজেক্ট তৈরি করতে পারবে। বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। স্থানীয় কোম্পানিগুলো চাইলে নিজস্ব AI মডেল তৈরি করে দেশীয় বাজারে সেবা দিতে পারে।
ভবিষ্যতে AI শিল্পে আরও বেশি প্রতিযোগিতা দেখা যাবে। দাম কমাতে একাধিক কোম্পানি নিজস্ব মডেল বাজারে ছাড়বে। ব্যবহারকারীদের জন্য এটি ভালো খবর, কারণ তাদের কাছে আরও সাশ্রয়ী ও কার্যকরী বিকল্প থাকবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: GNews AI Global
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...