এআই ডেটা সেন্টারে পানি খরচ ২০৩০ সালে ১৩০ কোটি মানুষের সমান হতে পারে: জাতিসংঘ
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে সতর্কবার্তা: এআই ডেটা সেন্টারের পানি খরচ ২০৩০ সালে ১৩০ কোটি মানুষের সমান হবে। বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ এই খবর।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে সতর্কবার্তা: এআই ডেটা সেন্টারের পানি খরচ ২০৩০ সালে ১৩০ কোটি মানুষের সমান হবে। বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ এই খবর।
জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চালানোর জন্য ব্যবহৃত ডেটা সেন্টারগুলোর পানি খরচ ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ১৩০ কোটি মানুষের পানি ব্যবহারের সমান হতে পারে। এই প্রতিবেদনটি দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। এআই প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের ফলে এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
প্রতিবেদনটি বলছে, বর্তমানে এআই মডেল প্রশিক্ষণ ও পরিচালনার জন্য বিপুল পরিমাণ পানি প্রয়োজন। বিশেষ করে ডেটা সেন্টারগুলোর শীতলীকরণ ব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশি পানি ব্যবহার হয়। গবেষকরা সতর্ক করেছেন, এই পানি সংকট ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যমান পানি ঘাটতিকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই খবরটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দেশে ফ্রিল্যান্সিং ও আইটি সেক্টরের প্রসারের সাথে সাথে এআই নির্ভরতা বাড়ছে। বাংলাদেশের ডেভেলপার ও শিক্ষার্থীরা যখন ক্লাউড-ভিত্তিক এআই টুলস ব্যবহার করেন, তখন তারা পরোক্ষভাবে এই পানি খরচের অংশীদার হন। এছাড়া দেশে নতুন ডেটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলে পানি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি।
এই প্রতিবেদন শুধু পরিবেশবাদীদের জন্য নয়, বরং প্রযুক্তি ব্যবসা ও নীতিনির্ধারকদের জন্যও একটি জাগরণের বার্তা। পানি সংরক্ষণ ও টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশের মতো পানিস্বল্পতায় ভোগা দেশগুলোর জন্য এই সতর্কবার্তা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।
এআই খাতের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে হলে আমাদের এখন থেকেই সবুজ প্রযুক্তি ও পানি-সাশ্রয়ী সমাধানের দিকে নজর দিতে হবে। অন্যথায়, প্রযুক্তিগত উন্নতির মূল্য দিতে হবে পরিবেশ ও মানবজীবনের মৌলিক চাহিদা দিয়ে।
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Google News BD-AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...
