AI লেখায় ক্লিশে ধরা দেবে এখন, জানুন কীভাবে কাজ করবে টুলটি
প্রযুক্তি বিশ্লেষক সাইমন উইলিসন একটি টুল তৈরি করেছেন যা LLM-জেনারেটেড লেখায় ব্যবহৃত দশটি সাধারণ ক্লিশে হাইলাইট করে। ‘নো ফ্লাফ, নো ফিলার, নো জার্গন’ ধরনের পুনরাবৃত্তিমূলক বাক্যাংশ শনাক্ত করাই এর কাজ। টুলটি ‘ভাইব কোডিং’ পদ্ধতিতে ফেবল 5 ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষক সাইমন উইলিসন একটি টুল তৈরি করেছেন যা LLM-জেনারেটেড লেখায় ব্যবহৃত দশটি সাধারণ ক্লিশে হাইলাইট করে। ‘নো ফ্লাফ, নো ফিলার, নো জার্গন’ ধরনের পুনরাবৃত্তিমূলক বাক্যাংশ শনাক্ত করাই এর কাজ। টুলটি ‘ভাইব কোডিং’ পদ্ধতিতে ফেবল 5 ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
প্রযুক্তি জগতে AI-র লেখা কন্টেন্ট এতটাই সাধারণ হয়ে গেছে যে এখন অনেক নিবন্ধ পড়লেই বোঝা যায় এটি মেশিনের তৈরি। বারবার একই ধরনের বাক্যাংশ, একঘেয়ে কাঠামো আর ক্লিশে ভরা লেখা দেখে বিরক্ত হয়েছেন অনেক পাঠক। এবার সেই বিরক্তি থেকেই জন্ম নিয়েছে একটি নতুন টুল, যা AI-র লেখা চিহ্নিত করতে পারে।
বিখ্যাত প্রযুক্তি ব্লগার ও ডেভেলপার সাইমন উইলিসন ‘LLM cliché highlighter’ নামের একটি টুল তৈরি করেছেন। টুলটি LLM (Large Language Model) বা বড় ভাষা মডেলের লেখায় ব্যবহৃত দশটি সাধারণ ক্লিশে চিহ্নিত করে। ‘নো ফ্লাফ, নো ফিলার, নো জার্গন’ বা ‘ইন টুডে’স ডিজিটাল এজ’ ধরনের বাক্যাংশগুলোকে হাইলাইট করে দেখায় এই টুল।
উইলিসন জানিয়েছেন, তিনি একটি নিবন্ধ পড়তে গিয়ে বারবার একই ধরনের বাক্য দেখে বিরক্ত হয়ে টুলটি বানানোর সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ‘ভাইব কোডিং’ পদ্ধতি ব্যবহার করে ফেবল 5 নামের একটি AI টুলের সাহায্যে পুরো অ্যাপটি তৈরি করেছেন। ভাইব কোডিং হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ডেভেলপার সরাসরি কোড লেখেন না, বরং AI-কে নির্দেশ দিয়ে কোড তৈরি করিয়ে নেন।
টুলটি কাজ করে খুব সহজভাবে। ব্যবহারকারী যে কোনো লেখা কপি করে টুলের ইন্টারফেসে পেস্ট করলেই এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দশটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন খুঁজে বের করে। এই প্যাটার্নগুলোর মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত সাধারণ উদাহরণ, নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী, অপ্রয়োজনীয় ভূমিকা এবং বারবার ব্যবহৃত ক্লিশে বাক্যাংশ।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিং সম্প্রদায়ের জন্য এই টুলটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। দেশের অনেক ফ্রিল্যান্সার কন্টেন্ট রাইটার, ব্লগার এবং ডিজিটাল মার্কেটার AI টুল ব্যবহার করে কন্টেন্ট তৈরি করেন। এই টুল ব্যবহার করে তারা নিজেদের লেখা পরীক্ষা করতে পারবেন এবং আরও মানবিক ও স্বাভাবিক কন্টেন্ট তৈরি করতে পারবেন। শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্যও এটি সহায়ক হতে পারে।
উইলিসন তার টুলটি ওপেন সোর্স হিসেবে প্রকাশ করেছেন। যে কেউ এটি ব্যবহার করতে পারবেন এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তনও করতে পারবেন। টুলের কোড গিটহাবে পাওয়া যাচ্ছে।
AI-র লেখা কন্টেন্ট যত বাড়ছে, ততই এর মান ও স্বতন্ত্রতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই টুল সেই প্রশ্নের একটি সহজ সমাধান দিচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি প্যাটার্ন শনাক্ত করার সক্ষমতা যুক্ত করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন উইলিসন।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Simon Willison
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...