AI কৌশলে সস্তা রাতের বিদ্যুৎ কিনে দিনে লাভ, জেনে নিন কীভাবে
বিদ্যুতের দাম প্রতি ঘন্টায় বদলায়। AI এখন রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং ব্যবহার করে সস্তায় বিদ্যুৎ কিনে সংরক্ষণ করে এবং চাহিদার সময় উচ্চমূল্যে বিক্রি করছে। এই কৌশল গ্রিড স্থিতিশীল রাখতে ও খরচ কমাতে সাহায্য করে।
বিদ্যুতের দাম প্রতি ঘন্টায় বদলায়। AI এখন রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং ব্যবহার করে সস্তায় বিদ্যুৎ কিনে সংরক্ষণ করে এবং চাহিদার সময় উচ্চমূল্যে বিক্রি করছে। এই কৌশল গ্রিড স্থিতিশীল রাখতে ও খরচ কমাতে সাহায্য করে।
বিদ্যুতের দাম প্রতি ঘন্টায় বদলায়। রাত ৩টায় বাতাসের টারবাইন ঘুরলেও সবাই ঘুমিয়ে থাকে বলে বিদ্যুৎ অত্যন্ত সস্তা হয়। কখনও কখনও এর দাম নেমে যায় প্রতি কিলোওয়াট-আওয়ারে মাত্র 6 সেন্টে। কিন্তু সন্ধ্যা ৬টায় সূর্য ডুবে গেলে এবং সবাই ওভেন ও এসি চালু করলে গ্রিডের ওপর ব্যাপক চাপ পড়ে। দাম তখন 60 সেন্ট বা সংকটকালে 2.50 ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।
AI এখন এই দামের ওঠানামাকে কাজে লাগাচ্ছে। একে বলে এনার্জি আরবিট্রেজ। এই পদ্ধতিতে রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং নামের এক ধরনের মেশিন লার্নিং ব্যবহার করা হয়। রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং হলো একটি প্রশিক্ষণ পদ্ধতি যেখানে AI নিজে থেকে শিখে নেয় কোন কাজ করলে সর্বোচ্চ পুরস্কার পাওয়া যায়।
AI সিস্টেমটি আগে থেকে বাজারের তথ্য বিশ্লেষণ করে। এটি হিসাব করে কখন দাম সবচেয়ে কম থাকবে। সেই সময় ব্যাটারিতে বিদ্যুৎ জমা করে রাখে। পরে যখন দাম বেড়ে যায়, তখন সেই জমানো বিদ্যুৎ গ্রিডে বিক্রি করে দেয়। এই লেনদেন থেকে লাভ হয়। একই সঙ্গে গ্রিডের চাপও কমে।
dev.to ML সূত্রে জানা গেছে, এই প্রযুক্তি ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলক প্রকল্পে সফল হয়েছে। গবেষকরা দেখেছেন, AI মানুষের চেয়ে অনেক বেশি নির্ভুলভাবে দামের পূর্বাভাস দিতে পারে। এটি প্রতি ঘন্টায় হাজার হাজার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। মানুষের পক্ষে এত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।
বাংলাদেশের জন্যও এই প্রযুক্তির গুরুত্ব অনেক। দেশে বিদ্যুতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। পিক আওয়ারে লোডশেডিং একটি সাধারণ সমস্যা। এনার্জি আরবিট্রেজ ব্যবহার করে বড় শিল্প কারখানাগুলো নিজেদের খরচ কমাতে পারে। সোলার প্যানেল বা ব্যাটারি থাকলে তারা রাতে সস্তায় চার্জ করে দিনে ব্যবহার করতে পারবে।
এছাড়া বাংলাদেশের স্টার্টআপ ও ডেভেলপারদের জন্য এটি একটি নতুন সুযোগ। তারা রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং মডেল তৈরি করে স্থানীয় বাজারের জন্য সমাধান দিতে পারে। সরকারি পর্যায়েও স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থাপনায় এই AI ব্যবহার করা সম্ভব।
ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি আরও উন্নত হবে। গবেষকরা মনে করছেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে বড় শহরগুলোর গ্রিড ব্যবস্থাপনায় AI গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যারা এখনই এই বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করবে, তারা এগিয়ে থাকবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to ML
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...