AI এখন সর্বব্যাপী বিনিয়োগ, জেনে নিন আপনার লাভের পথ
জেপি মরগানের কৌশলবিদ বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর একটি বিশেষ খাত নয়, বরং এটি এখন ‘সর্বব্যাপী’ বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের এখন শিখতে হবে কোথায় বিনিয়োগ করবেন, না করবেন না সেটি নয়।
জেপি মরগানের কৌশলবিদ বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর একটি বিশেষ খাত নয়, বরং এটি এখন ‘সর্বব্যাপী’ বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের এখন শিখতে হবে কোথায় বিনিয়োগ করবেন, না করবেন না সেটি নয়।
জেপি মরগান অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের গ্লোবাল মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট ডেভিড লেবোভিৎজ বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI এখন আর একটি বিশেষায়িত খাত নয়। এটি একটি ‘সর্বব্যাপী’ বা ‘এভরিহোয়ার’ বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা ধীরে ধীরে AI-র বিভিন্ন সুযোগের মধ্যে পার্থক্য করতে শিখছে।
ব্লুমবার্গ টেলিভিশনের ‘সার্ভেইল্যান্স’ অনুষ্ঠানে লেবোভিৎজ বলেন, ‘AI সব জায়গায়। তাই প্রশ্ন হলো আপনি এটি কীভাবে খেলবেন, খেলবেন কি না সেটি নয়।’ এই মন্তব্য প্রযুক্তি বিনিয়োগের বর্তমান ধারা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশ করে।
AI বিনিয়োগের এই পরিবর্তন বোঝার জন্য প্রথমে বুঝতে হবে যে এটি শুধু চ্যাটজিপিটি বা ইমেজ জেনারেটরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। AI এখন ফাইন্যান্স, স্বাস্থ্যসেবা, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহক সেবার মতো প্রতিটি শিল্পে ব্যবহৃত হচ্ছে। জেপি মরগানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হলো সঠিক কোম্পানি বা খাত নির্বাচন করা যেখানে AI সবচেয়ে কার্যকরভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
লেবোভিৎজ আরও উল্লেখ করেন যে বাজারে AI-র প্রভাব এতটাই ব্যাপক যে এটি একটি মেগা-ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। আগের বছরগুলিতে AI বিনিয়োগ মানে ছিল শুধু কিছু নির্দিষ্ট স্টার্টআপ বা চিপ নির্মাতা কোম্পানিতে বিনিয়োগ। কিন্তু এখন বড় বড় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ছোট উদ্যোক্তা সবাই AI গ্রহণ করছে। ফলে বিনিয়োগের সুযোগও বহুমুখী হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই খবরটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার, ডেভেলপার এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা যদি AI-র এই ‘সর্বব্যাপী’ প্রবণতা বুঝতে পারেন, তাহলে তারা নিজেদের দক্ষতা ও ব্যবসাকে নতুন করে সাজাতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, একজন গ্রাফিক ডিজাইনার AI টুল ব্যবহার করে তার কাজের গতি ও মান বাড়াতে পারেন। অথবা একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার AI-চালিত কোডিং অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করে আরও দক্ষ হতে পারেন। বিনিয়োগকারীদের জন্যও বার্তাটি স্পষ্ট যে AI-তে বিনিয়োগের সঠিক উপায় খুঁজে বের করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শেষ পর্যন্ত, জেপি মরগানের এই বিশ্লেষণ প্রমাণ করে যে AI বিনিয়োগের যুগে আমরা একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছি। এখন আর AI-তে বিনিয়োগ করবেন কি না সেটি নিয়ে দ্বিধা করার সময় নেই। বরং সময় এসেছে কৌশল নির্ধারণের এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে বাজারে অংশ নেওয়ার।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...