AI এখন হার্ট অ্যাটাক শনাক্ত করবে আল্ট্রাসাউন্ডে, বাঁচবে অগণিত প্রাণ
গবেষকরা একটি নতুন মেশিন লার্নিং সিস্টেম তৈরি করেছেন যা ইকোকার্ডিওগ্রাম ভিডিও থেকে হার্ট অ্যাটাকের অবস্থান অনেক বেশি নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করতে পারে। এই পদ্ধতি কার্ডিয়াক ইমেজিংয়ের একটি বড় ক্লিনিকাল সীমাবদ্ধতা দূর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গবেষকরা একটি নতুন মেশিন লার্নিং সিস্টেম তৈরি করেছেন যা ইকোকার্ডিওগ্রাম ভিডিও থেকে হার্ট অ্যাটাকের অবস্থান অনেক বেশি নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করতে পারে। এই পদ্ধতি কার্ডিয়াক ইমেজিংয়ের একটি বড় ক্লিনিকাল সীমাবদ্ধতা দূর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গবেষকরা একটি যুগান্তকারী মেশিন লার্নিং সিস্টেম তৈরি করেছেন যা ইকোকার্ডিওগ্রাম ভিডিওতে হার্ট অ্যাটাক শনাক্তকরণের নির্ভুলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। arXiv-এ প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রটি কার্ডিয়াক ইমেজিংয়ের একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান করেছে। সমস্যাটি হলো হার্টের পেশির কোন অংশে ক্ষতি হয়েছে তা নির্ভরযোগ্যভাবে চিহ্নিত করা।
এই নতুন ফিউশন ফ্রেমওয়ার্কটি মোশন ট্র্যাকিং এবং ভিশন মডেলকে একত্রিত করে কাজ করে। এটি আল্ট্রাসাউন্ড ভিডিও থেকে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বা হার্ট অ্যাটাকের স্থানীয়করণ উন্নত করে। এই পদ্ধতি চিকিৎসকদের জন্য একটি বড় ক্লিনিকাল বাধা দূর করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রচলিত পদ্ধতিতে ইকোকার্ডিওগ্রাম বিশ্লেষণ করতে বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজন হয় এবং সময়ও লাগে অনেক। কিন্তু এই AI মডেলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হার্টের পেশির গতিবিধি ট্র্যাক করতে পারে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা চিহ্নিত করা অনেক সহজ এবং দ্রুত হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে যে এই ফিউশন ফ্রেমওয়ার্কটি এককভাবে কোনো মডেল ব্যবহার করার চেয়ে বেশি নির্ভুল ফলাফল দেয়। মোশন ট্র্যাকিং অংশটি হার্টের পেশির সংকোচন ও প্রসারণের প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে। অন্যদিকে ভিশন মডেলটি টিস্যুর টেক্সচার এবং অন্যান্য ভিজ্যুয়াল বৈশিষ্ট্য মূল্যায়ন করে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই গবেষণার গুরুত্ব অনেক। দেশে প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত সংখ্যক কার্ডিওলজিস্ট এবং অত্যাধুনিক ইমেজিং সুবিধা না থাকায় রোগ নির্ণয়ে প্রায়ই বিলম্ব হয়। এই AI সিস্টেমটি স্থানীয় হাসপাতাল এবং ক্লিনিকগুলিতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি চিকিৎসকদের দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্যও এটি একটি বড় সুযোগ। স্থানীয় স্টার্টআপ এবং গবেষকরা এই ফ্রেমওয়ার্কটিকে ভিত্তি করে আরও উন্নত ডায়াগনস্টিক টুল তৈরি করতে পারেন। সরকার যদি স্বাস্থ্যখাতে AI ব্যবহারের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করে, তাহলে এই ধরনের প্রযুক্তি দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
ভবিষ্যতে গবেষকরা এই মডেলটিকে আরও বড় ডেটাসেটে প্রশিক্ষণ দিয়ে এর নির্ভুলতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন। পাশাপাশি এটি যাতে রিয়েল-টাইমে ব্যবহার করা যায় সেজন্য অপ্টিমাইজেশনও চলছে। এই প্রযুক্তি একদিন বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক দ্রুত শনাক্ত করতে সাহায্য করবে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: dev.to ML
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...