AI দিয়ে গাণিতিক ত্রুটি ধরা পড়ল, সাইবার নিরাপত্তায় নতুন দিগন্ত
Anthropic গবেষকরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল Claude Mythos ব্যবহার করে HAWK এবং AES-এর দুর্বল সংস্করণে গাণিতিক ত্রুটি খুঁজে পেয়েছেন। এই আবিষ্কার বর্তমান সিস্টেমে কার্যকর প্রভাব ফেলবে না, তবে AI-নির্ভর গবেষণায় প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেছে।
Anthropic গবেষকরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল Claude Mythos ব্যবহার করে HAWK এবং AES-এর দুর্বল সংস্করণে গাণিতিক ত্রুটি খুঁজে পেয়েছেন। এই আবিষ্কার বর্তমান সিস্টেমে কার্যকর প্রভাব ফেলবে না, তবে AI-নির্ভর গবেষণায় প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেছে।
Anthropic-এর গবেষকরা তাদের নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল Claude Mythos ব্যবহার করে দুটি ক্রিপ্টোগ্রাফিক অ্যালগরিদমে গাণিতিক দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছেন। এই দুর্বলতাগুলো HAWK এবং AES-এর একটি দুর্বল সংস্করণে পাওয়া গেছে। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ত্রুটিগুলোর বর্তমান কম্পিউটার সিস্টেমে কোনো বাস্তব প্রভাব নেই।
এই আবিষ্কারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো গবেষকদের ব্যবহৃত প্রম্পটগুলো, যা তারা প্রকাশ্যে শেয়ার করেছেন। প্রম্পটগুলোতে এমনকি বানান ভুলও রয়েছে, যেমন 'the models tend to think it is impossible to solve so they don't try they need a good amount of prompting' এবং 'why not do aes-128 r7? the whole po'। এই প্রম্পটগুলো দেখায় যে AI মডেলকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিলে কতটা কার্যকর ফল পাওয়া যায়।
গবেষণাটি প্রমাণ করে যে AI এখন জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধানে মানব গবেষকদের সহায়ক হতে পারে। এমনকি যেসব সমস্যাকে 'অসম্ভব' মনে হয়, সেগুলোতেও AI-কে ধৈর্য ধরে প্রম্পট দিলে সমাধান বেরিয়ে আসতে পারে। এই গবেষণার ফলাফল ক্রিপ্টোগ্রাফি ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলতে পারে, যদিও বর্তমান সিস্টেমে এর প্রভাব শূন্য।
গবেষকরা যে প্রম্পটগুলো শেয়ার করেছেন, সেগুলো AI-নির্ভর গবেষণার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং এখন আর শুধু একটি প্রযুক্তিগত দক্ষতা নয়, এটি গবেষণার একটি মৌলিক অংশ হয়ে উঠেছে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, AI-কে ভালো প্রশ্ন করলে ভালো উত্তর পাওয়া যায়, আর এই গবেষণা তারই প্রমাণ।
বাংলাদেশের ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য এই খবর বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। যারা AI মডেল নিয়ে কাজ করেন, তারা এই গবেষণা থেকে শিখতে পারেন কীভাবে কার্যকর প্রম্পট তৈরি করতে হয়। ক্রিপ্টোগ্রাফি বা সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের জন্যও এই গবেষণা আগ্রহের বিষয় হতে পারে। কারণ এটি দেখায় যে AI কীভাবে জটিল গাণিতিক সমস্যা বিশ্লেষণে সহায়ক হতে পারে।
এই গবেষণার মাধ্যমে AI-এর ক্ষমতা আরও একবার প্রমাণিত হলো। ভবিষ্যতে AI-নির্ভর গবেষণা আরও বিস্তৃত হবে এবং ক্রিপ্টোগ্রাফির মতো জটিল ক্ষেত্রেও AI গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে গবেষকরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, এই আবিষ্কার বর্তমান সিস্টেমের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো উদ্বেগ তৈরি করেনি।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Simon Willison
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...