AI বুমে ডেল-নকিয়ার বাজার মূল্য বেড়েছে ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলার, লাভবান হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা
ডট-কম যুগের তারকা কোম্পানি ডেল, নকিয়া ও লেনোভো আবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। এআই ব্যয়ের অপ্রতিহত ঢেউ তাদের বাজার মূল্যে ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ করেছে। পুরনো প্রযুক্তি স্টকগুলোর এই পুনরুত্থান প্রমাণ করে যে এআই শিল্পে সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত।
ডট-কম যুগের তারকা কোম্পানি ডেল, নকিয়া ও লেনোভো আবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। এআই ব্যয়ের অপ্রতিহত ঢেউ তাদের বাজার মূল্যে ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ করেছে। পুরনো প্রযুক্তি স্টকগুলোর এই পুনরুত্থান প্রমাণ করে যে এআই শিল্পে সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত।
ডট-কম যুগের স্মৃতি এখন অনেকের কাছেই অস্পষ্ট। কিন্তু সেই সময়ের কিছু বড় কোম্পানি আবার আলোচনায় ফিরে এসেছে। ডেল টেকনোলজিস, নকিয়া ও লেনোভো গ্রুপের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এআই ব্যয়ের অপ্রতিহত ঢেউয়ের কারণে বাজারে নতুন করে জায়গা করে নিচ্ছে। ব্লুমবার্গ টেকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পুনরুত্থানের ফলে পুরনো প্রযুক্তি স্টকগুলোর বাজার মূল্যে ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ হয়েছে।
এআই বিপ্লব শুধু নতুন স্টার্টআপ বা ক্লাউড জায়ান্টদের জন্যই নয়। পুরনো, প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলোও এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে। ডেল, নকিয়া ও লেনোভো ডট-কম বাবলের সময় তারকা ছিল। কিন্তু বুদ্বুদ ফেটে যাওয়ার পর তারা পিছিয়ে পড়ে। নতুন প্রজন্মের টেক ডার্লিং যেমন গুগল, মেটা ও অ্যামাজন সামনে চলে আসে। এখন এআই ব্যয়ের কারণে সেই পুরনো কোম্পানিগুলো আবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে।
ডেল মূলত সার্ভার ও স্টোরেজ সমাধানের জন্য পরিচিত। কোম্পানিটি এআই ওয়ার্কলোডের জন্য প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার সরবরাহ করছে। নকিয়া টেলিকমিউনিকেশন ইকুইপমেন্টে ফিরে এসেছে এবং ৫জি ও এজ কম্পিউটিংয়ের মাধ্যমে এআই অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করছে। লেনোভো ল্যাপটপ ও পিসির পাশাপাশি এআই-চালিত ডেটা সেন্টার সলিউশন নিয়ে কাজ করছে। এই তিন কোম্পানির স্টক দাম গত এক বছরে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এআই ব্যয়ের এই ঢেউ আগামী কয়েক বছর ধরে চলবে। কোম্পানিগুলো এআই মডেল ট্রেনিং ও ইনফারেন্সের জন্য প্রচুর হার্ডওয়্যার ও পরিকাঠামো কিনছে। ডেল, নকিয়া ও লেনোভোর মতো কোম্পানিগুলো এই চাহিদা পূরণে সক্ষম। তাদের পুরনো প্রযুক্তি ও গ্রাহক বেস নতুন করে কাজে লাগছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় আইটি কোম্পানি ও ফ্রিল্যান্সাররা এআই প্রকল্পের জন্য ডেলের সার্ভার বা লেনোভোর ল্যাপটপ ব্যবহার করে। নকিয়ার ৫জি নেটওয়ার্ক বাংলাদেশে এআই অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় গতি ও নির্ভরযোগ্যতা দিতে পারে। শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্যও এই কোম্পানিগুলোর পণ্য সহজলভ্য হচ্ছে।
এই পুনরুত্থান প্রমাণ করে যে প্রযুক্তি শিল্পে পুরনো হওয়া মানে শেষ নয়। সঠিক সময়ে সঠিক কৌশল নিলে যে কোনো কোম্পানি আবার শীর্ষে উঠতে পারে। এআই বুম এখনও শেষ হয়নি। ডেল, নকিয়া ও লেনোভোর মতো কোম্পানিগুলো ভবিষ্যতে আরও বড় ভূমিকা পালন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...