AI বিনিয়োগের সুযোগ ২০২৭ পর্যন্ত, লাভের হিসাব এখনই মেলান
Franklin Templeton-এর বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ Katrina Dudley বলেছেন, AI অবকাঠামোতে বিনিয়োগের ধারা 2027 সাল পর্যন্ত স্থায়ী হবে এবং তার পরেও টিকে থাকতে পারে। এই দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমানে বাজারের নেতিবাচক যুক্তিগুলোকে হারিয়ে দিচ্ছে।
Franklin Templeton-এর বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞ Katrina Dudley বলেছেন, AI অবকাঠামোতে বিনিয়োগের ধারা 2027 সাল পর্যন্ত স্থায়ী হবে এবং তার পরেও টিকে থাকতে পারে। এই দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমানে বাজারের নেতিবাচক যুক্তিগুলোকে হারিয়ে দিচ্ছে।
বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান Franklin Templeton-এর ক্যাটরিনা ডাডলি বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামোতে বিনিয়োগের ইতিবাচক ধারা 2027 সাল পর্যন্ত স্থায়ী হবে এবং তার পরেও টিকে থাকতে পারে। ব্লুমবার্গ টেককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বর্তমানে AI অবকাঠামো ব্যয়ের এই বিনিয়োগ থিম বাজারের নেতিবাচক যুক্তিগুলোর ওপর জয়ী হচ্ছে।
ডাডলির মতে, AI প্রযুক্তির বিকাশ এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা সেন্টার, চিপ উৎপাদন ও শক্তি সরবরাহের মতো অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়নি। বরং এটি আরও জোরালো হচ্ছে। তিনি বলেন, এই বিনিয়োগ চক্রটি 2027 সাল পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে এবং তার পরেও সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
AI অবকাঠামো বলতে কী বোঝায়? এটি হলো AI মডেল চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার। যেমন Nvidia-এর GPU, ডেটা সেন্টার, ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা। এই খাতে বর্তমানে বিশ্বের বড় বড় টেক কোম্পানি যেমন Microsoft, Google, Amazon এবং Meta বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে।
বাজার বিশ্লেষকদের একাংশ আগে মনে করেছিলেন, AI-তে বিনিয়োগের এই জোয়ার শীঘ্রই কমে যেতে পারে। কিন্তু ডাডলির মতে, সেই নেতিবাচক যুক্তিগুলো এখন আর টিকছে না। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, AI ব্যবহার বেড়েই চলেছে এবং এর জন্য আরও বেশি অবকাঠামো প্রয়োজন হচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্যও এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার, ডেভেলপার এবং উদ্যোক্তারা AI-ভিত্তিক সেবা তৈরি করছেন। এর জন্য প্রয়োজন ক্লাউড কম্পিউটিং এবং API পরিষেবা, যা এই বৈশ্বিক বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্বব্যাপী AI অবকাঠামো শক্তিশালী হলে বাংলাদেশের ডেভেলপাররা আরও উন্নত ও সাশ্রয়ী AI টুল ব্যবহার করতে পারবেন।
শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের জন্যও এটি সুসংবাদ। কারণ উন্নত AI অবকাঠামো মানে আরও শক্তিশালী মডেল এবং আরও দ্রুত গবেষণার সুযোগ। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে।
সামগ্রিকভাবে, AI অবকাঠামো বিনিয়োগের এই ধারা আগামী কয়েক বছর বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। Franklin Templeton-এর বিশ্লেষণ বলছে, এই বাজারের সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়নি। 2027 সালের পরেও যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে AI প্রযুক্তির আরও বড় অগ্রগতি দেখা যেতে পারে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...