AI বিনিয়োগের গতি বাড়ায় টেক শেয়ারে দুই প্রান্তিকের উত্থানের আভাস
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামোতে বিনিয়োগের গতি আগের চেয়ে আরও বেড়েছে। এই ধারা আগামী দুই প্রান্তিক ধরে টেক শেয়ারবাজারকে চাঙ্গা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন কলাম্বিয়া থ্রেডনিডল ইনভেস্টমেন্টসের বিশ্লেষক টিফানি ওয়েড।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামোতে বিনিয়োগের গতি আগের চেয়ে আরও বেড়েছে। এই ধারা আগামী দুই প্রান্তিক ধরে টেক শেয়ারবাজারকে চাঙ্গা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন কলাম্বিয়া থ্রেডনিডল ইনভেস্টমেন্টসের বিশ্লেষক টিফানি ওয়েড।
প্রযুক্তি খাতের শেয়ারবাজারে দীর্ঘমেয়াদী উত্থানের ধারা অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কলাম্বিয়া থ্রেডনিডল ইনভেস্টমেন্টসের বিশ্লেষক টিফানি ওয়েড মনে করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর অবকাঠামোতে বিনিয়োগের গতি বেড়ে যাওয়ায় এই উত্থান আরও অন্তত দুই প্রান্তিক ধরে চলতে পারে। ব্লুমবার্গ টেকের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ওয়েডের মতে, গত দুই বছরে AI খাতে যত বিনিয়োগ হয়েছে, তার চেয়েও দ্রুতগতিতে এখন ব্যয় বাড়ছে। ডেটা সেন্টার, বিশেষায়িত চিপ বা GPU এবং উন্নত নেটওয়ার্কিং সরঞ্জামের চাহিদা অভূতপূর্ব হারে বেড়েছে। এই ব্যয় বৃদ্ধি প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর আয়ের সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করছে, যা শেয়ারবাজারের জন্য ইতিবাচক সংকেত।
বিশ্লেষকরা বলছেন, AI প্রযুক্তি এখন শুধু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যায়ে নেই। বড় বড় কোম্পানি এটি বাস্তব কাজে লাগাতে শুরু করেছে। মাইক্রোসফট, অ্যামাজন, গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ক্লাউড সার্ভিসে AI যুক্ত করছে। এর ফলে নতুন নতুন পণ্য ও পরিষেবা তৈরি হচ্ছে, যা বাজারের আকার বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই চাহিদা মেটাতেই অবকাঠামোতে বিপুল বিনিয়োগ করছে প্রযুক্তি জায়ান্টরা।
টেক শেয়ারবাজারের এই উত্থান শুধু বড় কোম্পানির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। চিপ প্রস্তুতকারক এনভিডিয়ার মতো কোম্পানি তো বটেই, ডেটা সেন্টার ঠান্ডা রাখার সরঞ্জাম বা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার মতো সহায়ক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারও লাভ করছে। বিনিয়োগকারীরা AI ইকোসিস্টেমের প্রতিটি স্তরের কোম্পানির দিকে নজর দিচ্ছেন।
বাংলাদেশের জন্যও এই খবর গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার, সফটওয়্যার ডেভেলপার এবং স্টার্টআপ উদ্যোক্তারা বিশ্বব্যাপী AI বিপ্লবের অংশ। বিশ্ববাজারে AI-এর চাহিদা বাড়লে বাংলাদেশের তরুণ প্রযুক্তি কর্মীদের জন্য সুযোগও বাড়বে। বিশেষ করে AI-ভিত্তিক সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডেটা অ্যানালাইসিস এবং মেশিন লার্নিং মডেল তৈরির কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হচ্ছে।
এই ধারা আগামী কয়েক প্রান্তিক ধরে চলতে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বাজারের অস্থিরতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নতুন নীতির প্রভাবও শেয়ারবাজারে পড়তে পারে। তবুও বর্তমান তথ্য বলছে, AI-চালিত এই উত্থানের পথ এখনও শেষ হয়নি।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...