AI বিনিয়োগে মুনাফা নেই অন্য কোম্পানির, বড় টেকের জন্য ঝুঁকি বাড়ছে
Apollo Global Management-এর অর্থনীতিবিদ Torsten Slok সতর্ক করে দিয়েছেন যে প্রযুক্তি খাতের বাইরের কোম্পানিগুলো AI-তে ব্যয় করলেও মুনাফা পাচ্ছে না। S&P 493 কোম্পানির মুনাফা স্থবির হয়ে পড়ায় বড় টেক কোম্পানির শেয়ার দামের জন্য এটি বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
Apollo Global Management-এর অর্থনীতিবিদ Torsten Slok সতর্ক করে দিয়েছেন যে প্রযুক্তি খাতের বাইরের কোম্পানিগুলো AI-তে ব্যয় করলেও মুনাফা পাচ্ছে না। S&P 493 কোম্পানির মুনাফা স্থবির হয়ে পড়ায় বড় টেক কোম্পানির শেয়ার দামের জন্য এটি বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
বিশ্বের অন্যতম বড় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান Apollo Global Management Inc.-এর অর্থনীতিবিদ Torsten Slok একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে প্রযুক্তি জায়ান্টদের বাইরের কোম্পানিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (AI) প্রচুর অর্থ ব্যয় করলেও তার থেকে লাভ দেখতে পাচ্ছে না। এই পরিস্থিতি বড় টেক কোম্পানিগুলোর শেয়ার বাজার মূল্যায়নের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে।
S&P 500 সূচকে থাকা 500টি বড় কোম্পানির মধ্যে 493টি কোম্পানির মুনাফার হার স্থবির হয়ে পড়েছে। শুধু শীর্ষ 7টি টেক জায়ান্ট (যেমন Nvidia, Microsoft, Google) তাদের AI বিনিয়োগ থেকে মুনাফা দেখাতে পারছে। বাকি কোম্পানিগুলো AI-তে খরচ করলেও তাদের লাভের মার্জিন বাড়ছে না। এই বৈষম্য বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।
Slok-এর মতে, এই গ্যাপ বা ব্যবধান ক্রমশ বাড়ছে। ছোট ও মাঝারি কোম্পানিগুলো AI টুলস ও অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করছে কিন্তু সেটা তাদের রাজস্ব বা মুনাফায় রূপান্তরিত হচ্ছে না। অন্যদিকে বড় টেক কোম্পানিগুলো AI বিপ্লবের প্রধান সরবরাহকারী হওয়ায় তাদের রাজস্ব বাড়ছে। এই অসমতা বাজারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য এই খবর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সার ও প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বর্তমানে AI-তে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। উদাহরণস্বরূপ, অনেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান AI চ্যাটবট ব্যবহার করছে। কিন্তু যদি এই বিনিয়োগ থেকে দ্রুত মুনাফা না আসে, তাহলে তারা আর্থিক চাপে পড়তে পারে। বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের উচিত AI বিনিয়োগের আগে বাস্তবসম্মত ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, AI-এর সাফল্য শুধু প্রযুক্তি কেনার মধ্যে নয়। প্রকৃত মুনাফা আসে যখন কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবসার প্রক্রিয়ায় AI-কে কার্যকরভাবে একীভূত করতে পারে। শুধু নতুন টুল ব্যবহার করলেই লাভ হবে না, বরং কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও সঠিক ডেটা ম্যানেজমেন্ট জরুরি।
ভবিষ্যতে বড় টেক কোম্পানিগুলোর শেয়ার দাম ধরে রাখতে হলে বাকি কোম্পানিগুলোকেও AI থেকে লাভ দেখাতে হবে। অন্যথায় বাজারে একটি বড় সংশোধন আসতে পারে। বাংলাদেশের প্রযুক্তি সম্প্রদায়ের উচিত এই সতর্কবার্তা গুরুত্ব সহকারে নেওয়া এবং AI বিনিয়োগের আগে ভালোভাবে বিশ্লেষণ করা।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Bloomberg Tech
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...