৮০ টেরাবাইট মহাকাশ ডেটা এখন ৪ জিবি র্যামের ল্যাপটপেই চালানো যাবে
একটি নতুন টুল 30টির বেশি জরিপের 80 টেরাবাইট জ্যোতির্বিজ্ঞান ডেটা এক জায়গায় এনেছে। মাত্র 4GB RAM-ও যথেষ্ট, এমনকি Gaia স্কেলের ডেটা নিয়ে কাজ করতেও। হাগিং ফেসে টিউটোরিয়াল ও লেখাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।
একটি নতুন টুল 30টির বেশি জরিপের 80 টেরাবাইট জ্যোতির্বিজ্ঞান ডেটা এক জায়গায় এনেছে। মাত্র 4GB RAM-ও যথেষ্ট, এমনকি Gaia স্কেলের ডেটা নিয়ে কাজ করতেও। হাগিং ফেসে টিউটোরিয়াল ও লেখাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগতে এক বিশাল অগ্রগতি ঘটেছে। এখন থেকে 80 টেরাবাইটের বেশি জ্যোতির্বিজ্ঞান ডেটা আপনার ল্যাপটপেই অ্যাক্সেস করা সম্ভব। Reddit-এর r/MachineLearning সাবরেডিটে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই খবর প্রকাশ করেছে একদল গবেষক।
এই টুলটি 30টির বেশি জ্যোতির্বিজ্ঞান জরিপের ডেটা এক জায়গায় এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে গাইয়া, প্যান-স্টারস, টু-মাইক্রন অল স্কাই সার্ভে, ওয়াইজ এবং আরও অনেক বিখ্যাত জরিপ। সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, এই বিপুল পরিমাণ ডেটা কাজ করতে মাত্র 4GB RAM-ই যথেষ্ট। আগে যেখানে সুপারকম্পিউটার বা বিশেষায়িত হার্ডওয়্যার প্রয়োজন হতো, সেখানে এখন একটি সাধারণ ল্যাপটপ দিয়েই কাজ চালানো যাবে।
গবেষকরা হাগিং ফেসে একটি বিস্তারিত লেখাপত্র এবং টিউটোরিয়াল প্রকাশ করেছেন। টিউটোরিয়ালটি অ্যাসিনেমা প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে। এটি ব্যবহারকারীদের ধাপে ধাপে শেখাবে কীভাবে এই ডেটা অ্যাক্সেস করতে হয় এবং বিভিন্ন জরিপের মধ্যে ক্রস-ম্যাচিং করতে হয়। ক্রস-ম্যাচিং মানে হলো বিভিন্ন জরিপ থেকে প্রাপ্ত একই বস্তুর তথ্য একত্রিত করা। এটি জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।
এই টুলের মূল শক্তি হলো এর দক্ষতা। সাধারণত এত বড় ডেটা সেট নিয়ে কাজ করতে গেলে প্রচুর মেমোরির প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই টুলটি বিশেষ অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ডেটা কম্প্রেস করে এবং প্রয়োজনমতো লোড করে। ফলে মাত্র 4GB RAM-ও যথেষ্ট হয়। এটি বিশেষ করে ছোট গবেষণাগার বা ব্যক্তিগত গবেষকদের জন্য বড় একটি সুযোগ।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই টুলের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে প্রায়ই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারের অভাব থাকে। এই টুল ব্যবহার করে শিক্ষার্থী ও গবেষকরা তাদের ল্যাপটপ দিয়েই বিশ্বমানের জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণা করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সার ও ডেটা সায়েন্টিস্টদের জন্যও এটি একটি বড় সুযোগ। তারা এই ডেটা ব্যবহার করে মেশিন লার্নিং মডেল তৈরি করতে পারেন এবং নতুন আবিষ্কারে অবদান রাখতে পারেন।
ভবিষ্যতে এই টুল আরও বেশি ডেটা সেট যুক্ত করবে বলে আশা করা যায়। গবেষকরা ইতিমধ্যেই বলেছেন যে তারা আরও জরিপের ডেটা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছেন। এটি জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণাকে আরও গণতান্ত্রিক করবে। এখন যে কেউ, যেখানে ইচ্ছা, সেখান থেকেই মহাবিশ্বের রহস্য অনুসন্ধান করতে পারবেন।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Reddit r/MachineLearning
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...