২০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে বাংলাদেশের তেল-গ্যাস শিল্পের জন্য AI মডেল আসছে
Applied Computing ২০ মিলিয়ন ডলার সিরিজ A বিনিয়োগ পেয়েছে। কোম্পানিটি তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টের জন্য একটি ফাউন্ডেশন AI মডেল তৈরি করছে। এই মডেল পুরো প্ল্যান্টের কার্যক্রম অপ্টিমাইজ করবে।
Applied Computing ২০ মিলিয়ন ডলার সিরিজ A বিনিয়োগ পেয়েছে। কোম্পানিটি তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টের জন্য একটি ফাউন্ডেশন AI মডেল তৈরি করছে। এই মডেল পুরো প্ল্যান্টের কার্যক্রম অপ্টিমাইজ করবে।
তেল ও গ্যাস শিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে চলেছে। স্টার্টআপ Applied Computing তাদের ফাউন্ডেশন AI মডেলের জন্য ২০ মিলিয়ন ডলারের সিরিজ A বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে। TechCrunch জানিয়েছে, এই অর্থায়ন কোম্পানিটিকে তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টের জন্য একটি বিশেষায়িত AI মডেল তৈরি করতে সাহায্য করবে।
এই বিনিয়োগ ইঙ্গিত দেয় যে শিল্প খাতে AI প্রয়োগে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। Applied Computing-এর মডেল পুরো প্ল্যান্টের যন্ত্রপাতি, উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং সরবরাহ চেইন একসঙ্গে বিশ্লেষণ করবে। এর ফলে অপারেটররা রিয়েল-টাইমে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং উৎপাদন খরচ কমাতে পারবেন।
প্রচলিত AI মডেল সাধারণত একটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা হয়। কিন্তু Applied Computing-এর ফাউন্ডেশন মডেল পুরো প্ল্যান্টের জন্য কাজ করবে। এটি একাধিক সেন্সর, লগ ডেটা এবং অপারেশনাল ইনপুট একত্রে প্রক্রিয়া করে সর্বোত্তম অপারেটিং প্যারামিটার নির্ধারণ করবে। TechCrunch-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই মডেলটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বিপুল পরিমাণ শিল্প তথ্য দিয়ে। ফলে এটি বিভিন্ন প্ল্যান্টের জটিল পরিস্থিতি বুঝতে সক্ষম হবে।
Applied Computing-এর প্রযুক্তি সরাসরি তেল ও গ্যাস শিল্পের জন্য তৈরি। তবে এই মডেলের নকশা এমন যে এটি ভবিষ্যতে রাসায়নিক শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং অন্যান্য শিল্প ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে। কোম্পানিটি দাবি করছে, তাদের মডেল ব্যবহার করে প্ল্যান্টের জ্বালানি খরচ ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমানো সম্ভব।
বাংলাদেশের প্রসঙ্গে এলে দেখা যায়, দেশের তেল, গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য AI-ভিত্তিক সমাধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বর্তমানে ম্যানুয়ালি প্ল্যান্ট পরিচালনা করে। Applied Computing-এর মতো মডেল ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচ কমানো এবং দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে। তবে বাংলাদেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ ধরনের প্রযুক্তি আনার আগে অবকাঠামো ও দক্ষ জনবল তৈরি করা জরুরি।
বিশ্বব্যাপী শিল্প AI বাজার দ্রুত বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৭ সালের মধ্যে এই বাজারের আকার ১৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। Applied Computing-এর এই বিনিয়োগ দেখায় যে বড় বিনিয়োগকারীরা শিল্প AI-তে সম্ভাবনা দেখছেন। ভবিষ্যতে আরও বেশি কোম্পানি প্ল্যান্ট অপ্টিমাইজেশনের জন্য AI ব্যবহার করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: TechCrunch AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...