প্রতি ৫ জন বাংলাদেশি সিইওতে ১ জন বলছেন, AI আয় বাড়াচ্ছে: পিডব্লিউসি জরিপ
পিডব্লিউসির জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের ২২ শতাংশ সিইও AI-কে রাজস্ব বৃদ্ধির কৃতিত্ব দিচ্ছেন। বিশ্বব্যাপী এই হার ১৬ শতাংশ।
পিডব্লিউসির জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের ২২ শতাংশ সিইও AI-কে রাজস্ব বৃদ্ধির কৃতিত্ব দিচ্ছেন। বিশ্বব্যাপী এই হার ১৬ শতাংশ।
বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে। পিডব্লিউসির বৈশ্বিক জরিপে দেখা গেছে, প্রতি ৫ জন বাংলাদেশি সিইওতে ১ জন জানিয়েছেন, AI ইতিমধ্যেই তাদের কোম্পানির রাজস্ব বাড়াতে সহায়তা করছে। দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
এই জরিপটি ২০২৪ সালের শেষের দিকে পরিচালিত হয়েছিল, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪,৭০০ এর বেশি সিইও অংশ নেন। বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২২ শতাংশ সিইও জানিয়েছেন, AI তাদের ব্যবসায় সরাসরি রাজস্ব বৃদ্ধি করেছে। এই হার বিশ্বের অন্যান্য উদীয়মান অর্থনীতির তুলনায় বেশ উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের আইটি সেক্টর, ফ্রিল্যান্সার এবং স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যেই AI টুলস ব্যবহার করে দক্ষতা বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে চ্যাটজিপিটি এবং অন্যান্য জেনারেটিভ এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়করণ এবং গ্রাহক সেবায় বিপ্লব ঘটাচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, AI গ্রহণের এই গতি বজায় রাখতে দক্ষ জনবল ও অবকাঠামো প্রয়োজন। বাংলাদেশের শিক্ষার্থী ও ডেভেলপারদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ, কারণ AI-সম্পর্কিত দক্ষতার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। পিডব্লিউসির জরিপ আরও ইঙ্গিত দেয় যে, আগামী তিন বছরের মধ্যে AI-তে বিনিয়োগ আরও বাড়বে।
এই খবরটি বাংলাদেশের ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা এবং প্রযুক্তি পেশাজীবীদের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা। AI শুধু ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নয়, এটি বর্তমানেই অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। যারা দ্রুত এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন, তারাই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবেন।
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Google News BD-AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...
