জলবায়ু সংকটে AI: পরিবেশগত খরচ প্রকাশের আহ্বান জাতিসংঘ প্রধান
জাতিসংঘ মহাসচিব AI কোম্পানিগুলোর পরিবেশগত খরচ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। বাংলাদেশের ডেভেলপার ও ব্যবসায়ীদের জন্য এটি টেকসই প্রযুক্তির দিকে এগোনোর বার্তা।
জাতিসংঘ মহাসচিব AI কোম্পানিগুলোর পরিবেশগত খরচ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। বাংলাদেশের ডেভেলপার ও ব্যবসায়ীদের জন্য এটি টেকসই প্রযুক্তির দিকে এগোনোর বার্তা।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কোম্পানিগুলোর প্রতি তাদের কার্যক্রমের পরিবেশগত খরচ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, AI প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ও ব্যবহারের কারণে বিপুল পরিমাণ শক্তি খরচ এবং কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করছে। এই আহ্বানটি এসেছে AI খাতের ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি বৃহৎ AI মডেল যেমন GPT-5 বা ChatGPT প্রশিক্ষণের জন্য যে পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়, তা শত শত পরিবারের বার্ষিক বিদ্যুৎ খরচের সমান। গুতেরেস সতর্ক করে দিয়েছেন, স্বচ্ছতা ছাড়া এই খরচ নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। তিনি চান, কোম্পানিগুলো তাদের ডেটা সেন্টারের শক্তি ব্যবহার, পানি খরচ এবং কার্বন ফুটপ্রিন্টের সম্পূর্ণ হিসাব প্রকাশ করুক।
বাংলাদেশের জন্য এই খবর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির উদীয়মান AI ও সফটওয়্যার খাত, ফ্রিল্যান্সার এবং শিক্ষার্থীরা বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানের AI টুল ব্যবহার করছে। কিন্তু এসব টুলের পেছনের পরিবেশগত খরচ সম্পর্কে সচেতনতা কম। গুতেরেসের এই আহ্বান বাংলাদেশের ডেভেলপার ও ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বার্তা যে, প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় পরিবেশের দিকটিও বিবেচনায় নিতে হবে।
বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি আইটি কোম্পানি সবুজ প্রযুক্তি বা গ্রিন কম্পিউটিং নিয়ে কাজ শুরু করেছে। তবে বড় আকারের AI মডেল ব্যবহার বা তৈরি করতে গেলে বিদ্যুৎ ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের জন্য বিপুল শক্তি প্রয়োজন। জাতিসংঘের এই আহ্বান বাংলাদেশের নীতিনির্ধারক ও শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সুযোগ, যাতে তারা টেকসই AI অনুশীলন গ্রহণে উৎসাহিত হয়।
গুতেরেস আরও বলেছেন, AI কেবল অর্থনীতিই বদলাচ্ছে না, এটি গ্রহের ভবিষ্যতকেও প্রভাবিত করছে। তাই পরিবেশগত খরচ প্রকাশ করা শুধু নৈতিক দায়িত্ব নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি প্রয়োজনীয়তা। এই খবরটি AI প্রযুক্তির অন্ধকার দিক তুলে ধরে এবং স্বচ্ছতার ওপর জোর দেয়, যা বাংলাদেশের প্রযুক্তি সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Google News BD-AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...
