লাল ফিতার জটিলতায় আটকে থাকা কোরিয়ান অনুদান ১৫৯ কোটি টাকা, আটকে যাচ্ছে এআই হাব
দক্ষিণ কোরিয়ার ১৫৯ কোটি টাকার এআই হাব অনুদান লাল ফিতার জটিলতায় আটকে গেছে। এটি স্থানীয় ডেভেলপার ও ব্যবসার জন্য বড় সম্ভাবনা তৈরি করলেও প্রশাসনিক দেরি প্রকল্পকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার ১৫৯ কোটি টাকার এআই হাব অনুদান লাল ফিতার জটিলতায় আটকে গেছে। এটি স্থানীয় ডেভেলপার ও ব্যবসার জন্য বড় সম্ভাবনা তৈরি করলেও প্রশাসনিক দেরি প্রকল্পকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
বাংলাদেশের প্রস্তাবিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই হাবের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার দেওয়া ১৫৯ কোটি টাকার অনুদান আটকে গেছে। লাল ফিতার জটিলতা এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এই অর্থ ছাড় হতে দেরি হচ্ছে। দৈনিক-সান পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
এই অনুদানটি কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি বা কেওআইসিএর মাধ্যমে আসার কথা ছিল। এটি দেশের প্রথম এআই হাব স্থাপনের জন্য বরাদ্দ করা হয়। এই হাবটি সরকারি ও বেসরকারি খাতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর জন্য একটি কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।
বাংলাদেশের জন্য এই এআই হাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি স্থানীয় ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। এআই প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও এটি একটি বড় সুযোগ এনে দেবে।
দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যেই বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এআই প্রযুক্তির দেশ। তাদের এই সহায়তা বাংলাদেশের এআই খাতে একটি বড় মাইলফলক হতে পারত। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে এই সম্ভাবনা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের বিলম্ব দেশের প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতিকে ধীর করে দিচ্ছে। সরকারের উচিত দ্রুত এই জটিলতা কাটিয়ে ওঠা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ সুগম করা। তা না হলে এই বিপুল অর্থের অনুদান হারিয়ে যেতে পারে এবং বাংলাদেশ এআই বিপ্লবে পিছিয়ে পড়তে পারে।
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: Google News BD-AI
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...
