পাঠাও-র এআই রাউটিং ইঞ্জিন: প্রতিদিন ১ মিলিয়ন ট্রিপ অপ্টিমাইজ করছে কীভাবে?
পাঠাও-র নতুন এআই রাউটিং ইঞ্জিন প্রতিদিন ১ মিলিয়ন ট্রিপ অপ্টিমাইজ করে সময়, জ্বালানি ও কার্বন নিঃসরণ কমাচ্ছে। ঢাকার ট্রাফিক জ্যাম মোকাবিলায় এই প্রযুক্তি চালক ও যাত্রীদের জন্য গেম-চেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে।
পাঠাও-র নতুন এআই রাউটিং ইঞ্জিন প্রতিদিন ১ মিলিয়ন ট্রিপ অপ্টিমাইজ করে সময়, জ্বালানি ও কার্বন নিঃসরণ কমাচ্ছে। ঢাকার ট্রাফিক জ্যাম মোকাবিলায় এই প্রযুক্তি চালক ও যাত্রীদের জন্য গেম-চেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে।
বাংলাদেশের শীর্ষ রাইড-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম পাঠাও তাদের নতুন এআই রাউটিং ইঞ্জিন চালু করেছে, যা প্রতিদিন প্রায় ১ মিলিয়ন ট্রিপ অপ্টিমাইজ করছে। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে রিয়েল-টাইম ট্রাফিক ডেটা, রাস্তার অবস্থা এবং ব্যবহারকারীর পছন্দ বিশ্লেষণ করে সবচেয়ে কার্যকর রুট নির্ধারণ করে। পাঠাও-র দাবি, এই সিস্টেম চালুর ফলে গড় ট্রিপ সময় ১৫-২০% কমে গেছে এবং জ্বালানি খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, যেখানে ঢাকা শহরের ট্রাফিক জ্যাম বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ, সেখানে এই এআই ইঞ্জিন একটি গেম-চেঞ্জার হিসেবে কাজ করছে। পাঠাও-র টেকনিক্যাল টিম জানিয়েছে, ইঞ্জিনটি প্রতিটি ট্রিপের জন্য ৫০টির বেশি ভেরিয়েবল বিবেচনা করে, যার মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক ট্রাফিক প্যাটার্ন, আবহাওয়ার প্রভাব এবং বিশেষ ইভেন্টের সময় রাস্তা বন্ধ থাকার তথ্য। ফলে চালক ও যাত্রী উভয়েই সময় ও অর্থ সাশ্রয় করতে পারছেন।
এই প্রযুক্তির প্রভাব শুধু সময় বাঁচানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পাঠাও-র হিসাব অনুযায়ী, অপ্টিমাইজড রাউটিংয়ের কারণে প্রতিদিন প্রায় ৫০০০ কেজি কার্বন নিঃসরণ কমছে, যা পরিবেশবান্ধব শহর গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এছাড়াও চালকদের আয় বেড়েছে ১০-১২%, কারণ তারা একই সময়ে বেশি ট্রিপ সম্পন্ন করতে পারছেন।
বাংলাদেশের এআই খাতে এই উদ্যোগ একটি মাইলফলক। দেশীয় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর মধ্যে পাঠাও-র এই পদক্ষেপ দেখিয়ে দিচ্ছে যে স্থানীয়ভাবে তৈরি এআই সলিউশন দিয়েও বৈশ্বিক মানের সেবা দেওয়া সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সিস্টেমের সাফল্য অন্যান্য সেক্টর যেমন লজিস্টিকস, ডেলিভারি এবং পাবলিক ট্রান্সপোর্টেও অনুরূপ এআই সমাধানের পথ খুলে দিতে পারে।
পাঠাও-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা ভবিষ্যতে এই ইঞ্জিনে আরও ফিচার যুক্ত করবে, যেমন ভয়েস-কমান্ডেড নেভিগেশন এবং মাল্টি-মোডাল ট্রান্সপোর্ট ইন্টিগ্রেশন। ব্যবহারকারীদের জন্য টিপস: অ্যাপের সর্বশেষ ভার্সন ব্যবহার করুন, ট্রিপ শুরু করার আগে ডেস্টিনেশন সঠিকভাবে সেট করুন এবং পিক আওয়ার এড়াতে রুট সাজেশন অনুসরণ করুন। এই এআই ইঞ্জিন শুধু পাঠাও-র জন্যই নয়, পুরো দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে।
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: AIখবর রিসার্চ
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...
