ইবনে সিনা হাসপাতালে দেশের প্রথম এআই-সহায়তায় ক্যান্সার শনাক্তকরণ সিস্টেম চালু
ইবনে সিনা হাসপাতাল বাংলাদেশে প্রথম এআই-সহায়তায় ক্যান্সার শনাক্তকরণ সিস্টেম চালু করেছে। এটি ৯৫% নির্ভুলতায় স্তন ও ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্ত করতে সক্ষম, যা প্রাথমিক চিকিৎসা ও জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ইবনে সিনা হাসপাতাল বাংলাদেশে প্রথম এআই-সহায়তায় ক্যান্সার শনাক্তকরণ সিস্টেম চালু করেছে। এটি ৯৫% নির্ভুলতায় স্তন ও ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্ত করতে সক্ষম, যা প্রাথমিক চিকিৎসা ও জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতাল। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি দেশে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ক্যান্সার শনাক্তকরণ সিস্টেম চালু করেছে। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি রোগীদের দেহে ক্যান্সার কোষ দ্রুত ও নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম, যা চিকিৎসার প্রাথমিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সিস্টেমটির নাম ‘এআই ডায়াগনস্টিক অ্যাসিস্ট্যান্ট’। এটি মূলত প্যাথলজি রিপোর্ট ও ইমেজিং ডেটা (যেমন ম্যামোগ্রাম, সিটি স্ক্যান) বিশ্লেষণ করে ক্যান্সারের উপস্থিতি ৯৫% এর বেশি নির্ভুলতায় শনাক্ত করতে পারে। ইবনে সিনা হাসপাতালের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শহীদুল্লাহ জানান, ‘এই প্রযুক্তি শুধু সময় বাঁচায় না, বরং মানবিক ত্রুটি কমিয়ে এনে রোগীর জীবন রক্ষার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।’
বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১.৫ লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে অর্ধেকের বেশি দেরিতে শনাক্ত হওয়ার কারণে মৃত্যুবরণ করে। এআই সিস্টেমটি প্রাথমিক পর্যায়ে টিউমার শনাক্ত করে চিকিৎসার খরচ ও জটিলতা কমাতে সাহায্য করবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথম ধাপে স্তন ও ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্তকরণে সিস্টেমটি ব্যবহার করা হবে এবং ধীরে ধীরে অন্যান্য ক্যান্সারের জন্য প্রসারিত করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের এআই খাতে একটি মাইলফলক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুর রহমান বলেন, ‘এটি প্রমাণ করে যে আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারি। তবে এর সফল বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত ডেটা সুরক্ষা ও প্রশিক্ষিত জনবল প্রয়োজন।’ ইবনে সিনা হাসপাতাল ইতিমধ্যে ৫০ জন চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ানকে এআই সিস্টেম ব্যবহারে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।
পাঠকদের জন্য পরামর্শ: নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান এবং ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ (যেমন অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস, দীর্ঘস্থায়ী কাশি) উপেক্ষা করবেন না। ইবনে সিনা হাসপাতালের এআই সিস্টেমটি বর্তমানে শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব প্যাথলজি বিভাগে উপলব্ধ, তবে ভবিষ্যতে অন্যান্য হাসপাতালে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চাইলে সরাসরি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: AIখবর রিসার্চ
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...
