পাঠাও-র এআই ইঞ্জিন: প্রতিদিন ১০ লাখ ট্রিপ অপ্টিমাইজ করছে রাইড-শেয়ারিং জায়ান্ট
পাঠাও তাদের নতুন এআই ইঞ্জিন চালু করেছে, যা প্রতিদিন ১০ লাখ ট্রিপ অপ্টিমাইজ করে। এতে ট্রিপ সময় ১৫% কমেছে, ড্রাইভার আয় ১২% বেড়েছে এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে এটি একটি মাইলফলক।
পাঠাও তাদের নতুন এআই ইঞ্জিন চালু করেছে, যা প্রতিদিন ১০ লাখ ট্রিপ অপ্টিমাইজ করে। এতে ট্রিপ সময় ১৫% কমেছে, ড্রাইভার আয় ১২% বেড়েছে এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে এটি একটি মাইলফলক।
বাংলাদেশের শীর্ষ রাইড-শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাঠাও (Pathao) তাদের নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ইঞ্জিন চালু করেছে, যা প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ট্রিপ অপ্টিমাইজ করছে। এই এআই রাউটিং সিস্টেম রিয়েল-টাইম ট্রাফিক ডেটা, ঐতিহাসিক রুট প্যাটার্ন এবং ব্যবহারকারীর চাহিদা বিশ্লেষণ করে সবচেয়ে কার্যকর পথ নির্ধারণ করে। ফলে যাত্রীদের অপেক্ষার সময় কমছে এবং ড্রাইভারদের আয় বাড়ছে।
পাঠাও-র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুসেইন এম. ইলিয়াস জানান, এই এআই ইঞ্জিন শুধু রুট অপ্টিমাইজেশনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি ডিমান্ড ফোরকাস্টিং, ডাইনামিক প্রাইসিং এবং ড্রাইভার অ্যালোকেশনেও সহায়তা করছে। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় শহরে পিক আওয়ারে ট্রাফিক জট কমাতে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ইতিমধ্যে ট্রিপ সম্পন্নের গড় সময় ১৫% হ্রাস পেয়েছে এবং ড্রাইভারদের আয় ১২% বেড়েছে বলে কোম্পানি দাবি করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে এআই-ভিত্তিক রাউটিং সিস্টেম অপরিহার্য হয়ে উঠছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুর রহমান বলেন, 'পাঠাও-র এই উদ্যোগ দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে একটি মাইলফলক। এ ধরনের প্রযুক্তি শুধু রাইড-শেয়ারিং নয়, লজিস্টিকস, ডেলিভারি এবং পাবলিক ট্রান্সপোর্টেও বিপ্লব ঘটাতে পারে।'
পাঠাও-র এআই ইঞ্জিন মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে প্রতিটি ট্রিপের জন্য সর্বোত্তম রুট বের করে, যা জ্বালানি সাশ্রয় এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতেও সহায়ক। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, এই সিস্টেম চালুর পর থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩০,০০০ কিলোমিটার অপ্রয়োজনীয় ড্রাইভিং কমেছে, যা বছরে প্রায় ১,০০০ টন কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের সমতুল্য।
ব্যবহারকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস: পাঠাও অ্যাপে রিয়েল-টাইম ট্রাফিক আপডেট এবং অপ্টিমাইজড রুট সুপারিশ পেতে লেটেস্ট ভার্সনে আপডেট রাখুন এবং পিক আওয়ারে অগ্রিম বুকিং দিন। এছাড়া ড্রাইভাররা নিজেদের রেটিং এবং ফিডব্যাকের মাধ্যমে আরও ভালো সার্ভিস নিশ্চিত করতে পারেন।
বাংলাদেশের এআই খাতে পাঠাও-র এই উদ্ভাবন একটি বড় অগ্রগতি। দেশে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ প্রতিদিন রাইড-শেয়ারিং সার্ভিস ব্যবহার করেন, যেখানে এআই-ভিত্তিক অপ্টিমাইজেশন ট্রাফিক কনজেশন, জ্বালানি খরচ এবং সময় বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ ধরনের প্রযুক্তি ভবিষ্যতে স্মার্ট সিটি ম্যানেজমেন্ট এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হতে পারে।
এই সংবাদটি আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অবলম্বনে AI-সহায়তায় বাংলায় উপস্থাপন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পাদিত। মূল তথ্যের জন্য নিচের সূত্র দেখুন।
মূল প্রতিবেদন: AIখবর রিসার্চ
সোর্স দেখুন ↗মন্তব্য০
লোড হচ্ছে...
